Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

এনআরএস: আউটডোরের সামনে স্থায়ী শেড, রোদে স্বস্তি রোগী সহ পরিজনদের

মাথার উপর নতুন শেড তৈরি হয়েছে এন আর এস মেডিকেল কলেজের আউটডোরে। এর ফলে হাজার হাজার রোগী তীব্র গরমের হাত থেকে রেহাই পেলেন।

এনআরএস: আউটডোরের সামনে স্থায়ী শেড, রোদে স্বস্তি রোগী সহ পরিজনদের
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৮:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাথার উপর নতুন শেড তৈরি হয়েছে এন আর এস মেডিকেল কলেজের আউটডোরে। এর ফলে হাজার হাজার রোগী তীব্র গরমের হাত থেকে রেহাই পেলেন। বছরের পর বছর ধরে ইমারজেন্সি বাড়ির উল্টোদিকে মেন আউটডোরের একতলার একপাশে রোগীরা থাকতেন খোলা আকাশের নীচে প্লাস্টিক বা কাগজ বিছিয়ে। ঝড়, জল, বৃষ্টি বা ঠা ঠা রোদে শিশুদের নিয়েও কাটাতে হত তাঁদের। এবার সে ছবির পরিবর্তন হল।

Advertisement

শুক্রবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা গিয়েছে, এন আর এস’এর পুকুরপাড় লাগোয়া অংশে পাকাপাকি শেড তৈরি হয়েছে। তা রোদ আটকাচ্ছে। বা কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে শেডের নীচে থাকা রোগী ও বাড়ির লোক জলে ভেজার হাত থেকে রেহাই পাবেন। ওই চত্বরে একাধিক বিভাগের আউটডোরে ওষুধ নেওয়ার লম্বা লাইন পড়ে। গরমে ঘামে ভিজে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে মানুষ। সে কষ্টও কিছুটা কমেছে। হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্যের ‘রাত্রিসাথী’ প্রকল্পে এই কাজ হয়েছে। প্রকল্পের অনুমোদন মেলে গত বছরের শেষে। কিছুদিন আগে এই কাজ শেষ হয়েছে। এন আর এস’এর মেডিকেল পড়ুয়াদের এক হস্টেল থেকে অন্যত্র যাওয়ার সময় পর্যাপ্ত আলো, নিরাপত্তা, স্বস্তিদায়ক পরিবেশ দিতে ওই শেড তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে উপকৃত হচ্ছেন আউটডোরে আসা হাজার হাজার রোগী ও বাড়ির লোকজন। এন আর এস সূত্রে খবর, শেডটি ছাড়াও সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির শেডের একাংশ কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগে ব্র্যাকিথেরাপি মেশিনের কাছেও করা হয়েছে নতুন শেড। হাসপাতালের নবনির্মিত বি সি রায় বাড়িতে ইমারজেন্সি বাড়ির সমস্ত বিভাগ ও ওয়ার্ডগুলি স্থানান্তরিত হওয়ার পর পুকুরপাড়ের দক্ষিণ অংশেও অনুরূপ শেড তৈরি হবে। তাতে ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা প্রিয়জনের জন্য হাসপাতালে দিনের পর দিন কাটানো গাইনি ও অন্য বিভাগের বাড়ির লোকজনের কষ্ট অন্তত কমতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ