করাচি: জানুয়ারিতে ঘরের মাঠে ত্রিদেশিয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। বাকি দুই দল হল নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই সিরিজের আগে নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পাকিস্তানে গিয়েছে কিউয়ি ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধি দল। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন আইসিসি কর্তারাও। আসলে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাইছে বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানেই বসছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর। সেখানে ভারতের খেলতে না যাওয়া নিয়ে কম হইচই হয়নি। তাই নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখে নিতে চাইছে আইসিসি।
Advertisement
এই মুহূর্তে করাচিতে রয়েছেন আইসিসি ও কিউয়ি প্রতিনিধিরা। এরপর তাঁরা লাহোর, রাওয়ালপিন্ডিতেও পরিদর্শনে যাবেন। এখনও পাক মুলুকে রাজনৈতিক অস্থিরতা যথেষ্টই। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জেলবন্দি। তাঁর অনুগামীরা প্রতিদিনই রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে চাইছে নিউজিল্যান্ড। পাশাপাশি, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য মাঠ ও গ্যালারি কতটা প্রস্তুত তাও দেখে নিতে চাইছে আইসিসি। এদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের জন্য ‘হাইব্রিড মডেল’ মেনে নিয়েছে পিসিবি। ক্ষতিপূরণ স্বরূপ অতিরিক্ত ৩৮ কোটি টাকা আইসিসির থেকে পাচ্ছে পাক বোর্ড। তবে সেদেশের রাজনীতিকরা সন্তুষ্ট নন। তাঁদের বক্তব্য, ভারত খেলতে এলে সমর্থকরাও আসতেন পাকিস্তানে। এর ফলে পর্যটনের দিক থেকেও লাভ হত।



