নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: টেন্ডার না করে, সরকারি সংস্থার মউ স্বাক্ষর করেই তৈরি হচ্ছিল রানাঘাট কলেজের কোটি কোটি টাকার বিল্ডিং। সরকারি গাইডলাইন না মেনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পরিবর্তে কলেজের অধ্যক্ষ কীভাবে মউ স্বাক্ষর করতে পারেন। এই প্রশ্ন তুলে রানাঘাট কলেজকে শো-কজ করল রানাঘাট পুরসভা। শুধু তাই নয়, নির্মীয়মাণ বহুতলটির কাজে ‘স্টপ ওয়ার্ক’ নোটিসও দিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
রানাঘাট কলেজে বর্তমানে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৪ হাজার। এরমধ্যে বিজ্ঞানে ন’টি, বাণিজ্যের একটি এবং সামাজিক বিজ্ঞান বা কলা বিভাগে রয়েছে ১৪টি করে বিষয়ভিত্তিক ডিপার্টমেন্ট। আর এই হাজার হাজার পড়ুয়ার জন্য রয়েছে মাত্র ৭২টি শ্রেণিকক্ষ। তাই নতুন অ্যাকাডেমিক ভবন তৈরি করতে ওল্ড বহরমপুর রোড লাগোয়া একটি জমিতে প্রায় ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সাততলা বিল্ডিং তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয় সরকারি সংস্থা ম্যাকিন্টস বার্ন লিমিটেডকে। তবে টেন্ডার নয়, এই কাজে দু’ পক্ষের মধ্যে মউ স্বাক্ষরিত হয়। পরে জানা যায়, কলেজের নির্মীয়মাণ ভবনটির প্ল্যান স্যাংশন করেনি পুরসভা। কলেজের দলিল জমা না দেওয়ায় প্ল্যান স্যাংশন হয়নি। যদিও কলেজ সূত্রের খবর, দলিলের হদিশ তাদের কাছেও নেই। বিএলআরও-র কাছে সেই দলিলের কপি চেয়ে পাঠিয়েছে তারা। আর প্ল্যান প্রসঙ্গে কলেজের দাবি, সরকারি সংস্থাই যেহেতু কাজ করছে তাই প্ল্যানের প্রয়োজনীয়তা নেই।
বিপরীতে পুরসভার দাবি, নিয়ম অনুযায়ী অর্থবর্ষে সরকারি কাজের মোট বরাদ্দ অর্থের ১০ শতাংশ কাজ সরকারি সংস্থাকে দিতে হয়। ফলে ম্যাকিন্টসকে বরাত দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা না থাকলেও মউ স্বাক্ষর হল কীভাবে? পুর কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন, মউ হতে পারে এক দপ্তরের সঙ্গে অন্য দপ্তরের। অধ্যক্ষ ব্যক্তি হিসেবে কীভাবে মউ স্বাক্ষর করলেন। কলেজ টেন্ডার করতে পারলেও এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, সরকারি কাজ হোক বা বেসরকারি, পুরসভা থেকে প্ল্যান স্যাংশন করাতে হবে এটা মিউনিসিপ্যাল আইন বলছে। তাছাড়া অধ্যক্ষ কীভাবে মউ স্বাক্ষর করলেন এটাই তো বড় প্রশ্ন। কারণ দপ্তরের অধিকর্তা ছাড়া মউ স্বাক্ষর করার অধিকার কারও নেই। কলেজের টেন্ডার করার অধিকার থাকলেও তারা তা করেনি। যেহেতু একাধিক খামতি রয়েছে সেহেতু আমরা স্টপ ওয়ার্ক নোটিস দিয়েছি। সেইসঙ্গে শোকজ করা হয়েছে। সদুত্তর দেওয়ার জন্য কলেজকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট কলেজের অধ্যক্ষ অরূপ মাইতি বলেন, আমি নিজে উদ্যোগ নিয়ে মউ স্বাক্ষর করিনি। সরকারি ওই সংস্কার তরফ থেকেই মউ করা হয়েছে। তবে আমরা পুরসভার স্টপওয়ার্ক নোটিস পেয়েছি। সেই নোটিসকে মর্যাদা দিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। পুরসভার সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা চলছে। আশা করছি দ্রুত জটিলতার সমাধান হবে।
বিপরীতে পুরসভার দাবি, নিয়ম অনুযায়ী অর্থবর্ষে সরকারি কাজের মোট বরাদ্দ অর্থের ১০ শতাংশ কাজ সরকারি সংস্থাকে দিতে হয়। ফলে ম্যাকিন্টসকে বরাত দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা না থাকলেও মউ স্বাক্ষর হল কীভাবে? পুর কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন, মউ হতে পারে এক দপ্তরের সঙ্গে অন্য দপ্তরের। অধ্যক্ষ ব্যক্তি হিসেবে কীভাবে মউ স্বাক্ষর করলেন। কলেজ টেন্ডার করতে পারলেও এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, সরকারি কাজ হোক বা বেসরকারি, পুরসভা থেকে প্ল্যান স্যাংশন করাতে হবে এটা মিউনিসিপ্যাল আইন বলছে। তাছাড়া অধ্যক্ষ কীভাবে মউ স্বাক্ষর করলেন এটাই তো বড় প্রশ্ন। কারণ দপ্তরের অধিকর্তা ছাড়া মউ স্বাক্ষর করার অধিকার কারও নেই। কলেজের টেন্ডার করার অধিকার থাকলেও তারা তা করেনি। যেহেতু একাধিক খামতি রয়েছে সেহেতু আমরা স্টপ ওয়ার্ক নোটিস দিয়েছি। সেইসঙ্গে শোকজ করা হয়েছে। সদুত্তর দেওয়ার জন্য কলেজকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট কলেজের অধ্যক্ষ অরূপ মাইতি বলেন, আমি নিজে উদ্যোগ নিয়ে মউ স্বাক্ষর করিনি। সরকারি ওই সংস্কার তরফ থেকেই মউ করা হয়েছে। তবে আমরা পুরসভার স্টপওয়ার্ক নোটিস পেয়েছি। সেই নোটিসকে মর্যাদা দিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। পুরসভার সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা চলছে। আশা করছি দ্রুত জটিলতার সমাধান হবে।



