নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাইকোর্ট নির্দেশ দিলেও নিম্ন আদালত থেকে সময়মতো নথি পৌঁছচ্ছে না। এই কারণে শুনানি হাইকোর্টে থমকে যাচ্ছে। পেপার বুক তৈরির কাজেও দেরি হচ্ছে বিস্তর। নিম্ন আদালতগুলির একাংশের ঢিলেঢালা মনোভাব রুখতে এবার গাইড লাইন তৈরি করে দিল বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি শুভেন্দু সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ।
Advertisement
বেঞ্চ জানিয়েছে, নিম্ন আদালতগুলিকে মামলার নথি পেশের নির্দেশ দেওয়া হলেও ঠিক কতদিনের মধ্যে তা হাইকোর্টে তারা পাঠাবে, তার কোনও সময়সীমা আইনে বলা নেই। এজন্যই নথি উচ্চ আদালতে পৌঁছনোর ব্যাপারে নিম্ন আদালতগুলির উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে।
ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, হাইকোর্ট নথি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার একমাসের মধ্যে নিম্ন আদালতগুলিকে মামলার নথি হস্তান্তর করতে হবে। এই সময়সীমা লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতকে দেরির কারণ উল্লেখসহ রেজিস্ট্রার জেনারেলকে তা জানাতে হবে। ওই নথি রেজিস্ট্রার জেনারেল পেশ করবেন সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে। হাইকোর্ট জানিয়েছে, নিম্ন আদালত চাইলে, নথির স্ক্যান কপি নথি হস্তান্তরের আগেও পাঠাতে পারে। হাইকোর্টের রেকর্ড সেকশন সেটি পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন করে নেবে। ত্রুটির বিষয়টি জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চকে। ছোটখাট ত্রুটি থাকলে অবশ্য তা যতটা সম্ভব এড়িয়ে শুনানি চালানো যেতে পারে বলেও জানিয়েছে বেঞ্চ।
ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, হাইকোর্ট নথি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার একমাসের মধ্যে নিম্ন আদালতগুলিকে মামলার নথি হস্তান্তর করতে হবে। এই সময়সীমা লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতকে দেরির কারণ উল্লেখসহ রেজিস্ট্রার জেনারেলকে তা জানাতে হবে। ওই নথি রেজিস্ট্রার জেনারেল পেশ করবেন সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে। হাইকোর্ট জানিয়েছে, নিম্ন আদালত চাইলে, নথির স্ক্যান কপি নথি হস্তান্তরের আগেও পাঠাতে পারে। হাইকোর্টের রেকর্ড সেকশন সেটি পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন করে নেবে। ত্রুটির বিষয়টি জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চকে। ছোটখাট ত্রুটি থাকলে অবশ্য তা যতটা সম্ভব এড়িয়ে শুনানি চালানো যেতে পারে বলেও জানিয়েছে বেঞ্চ।



