Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নির্বিঘ্নে দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানই লক্ষ্য,   এখন থেকে পরিকল্পনা নির্দেশ মমতার

নির্বিঘ্নে দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানই লক্ষ্য,   এখন থেকে পরিকল্পনা নির্দেশ মমতার
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ৩০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দ্বারোদঘাটন হবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের। তার আগের দিন থেকেই শুরু হয়ে যাবে হোম যজ্ঞ ও অন্যান্য অনুষ্ঠান। ২২ একর জমির উপর একেবারে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে গড়ে ওঠা এই মন্দিরের উদ্বোধনের সাক্ষী থাকতে অসংখ্য মানুষের সমাগম হবে বলেই প্রশাসনের ধারণা। ফলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজনে যাতে কোনওরকম ফাঁক না থাকে সেই লক্ষ্যে এখন থেকেই পরিকল্পনার কাজ শুরু করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে মন্দির পরিচালনার জন্য গঠিত ট্রাস্টি বোর্ড বা অছি পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকেই তাঁর সাফ নির্দেশ, এমন করে সম্পূর্ণ বিষয়টি সাজাতে হবে যাতে শেষ মূহূর্তে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়। সাধারণ মানুষ যেন কোনওভাবেই নাজেহাল না হন, সেই বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।
Advertisement
প্রসঙ্গত, কুম্ভের বিশৃঙ্খলার জন্য যোগী সরকারের দুর্বল পরিকল্পনাকেই দায়ী করেছেন মমতা। পাশাপাশি, দীঘার জগন্নাথধামের উদ্বোধন নিয়ে যাতে কোনওরকম হাইপ তৈরি না হয় সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 
পুলিস এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের কর্তা ও জেলা প্রশাসনকে নিয়ে দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানের সামগ্রিক পরিকল্পনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হিডকো’কে। কোথায় গাড়ি পার্কিং হবে, উদ্বোধনের সময় মানুষজন কোথায় দাঁড়াবেন, দীঘায় কত মানুষের থাকার মতো হোটেল রয়েছে এবং অন্যান্য সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক খতিয়ে দেখে পরিকল্পনা করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দীঘায় যতগুলি হোটেল আছে, তাতে প্রায় ৭০ হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা হতে পারে। মন্দারমণি, শঙ্করপুর ও সংলগ্ন জায়গা মিলিয়ে সেটি সর্বাধিক হতে পারে এক লক্ষে। এই পরিকল্পনার খসড়া জমা পড়বে তাঁর কাছে। সেটি খতিয়ে দেখে একটি প্রশাসনিক বৈঠক ডাকবেন তিনি। সেখানেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  
এদিন বিকেলে নবান্নে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, হিডকোর ভাইস চেয়ারম্যান হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় বনশল, জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝি, কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাস এবং ট্রাস্টি বোর্ডের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এখনও পর্যন্ত ট্রাস্টি বোর্ডে ২২ জনের নাম চূড়ান্ত হয়েছে। পরবর্তীকালে ‘আমন্ত্রিত’ হিসেবে আরও কিছু জনের নাম যোগ হতে পারে।  
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ