Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জাতীয় সড়কের জমি দখলমুক্ত করতে দোকানদারদের নোটিস, ১০ দিনের সময়সীমা, চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে ব্যবসায়ীদের নোটিস ধরালো জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। বুধবার থেকে অস্থায়ী দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের নোটিস দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জাতীয় সড়কের জমি দখলমুক্ত করতে দোকানদারদের নোটিস, ১০ দিনের সময়সীমা, চিন্তায় ব্যবসায়ীরা
  • ২৩ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ইটাহার: সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে ব্যবসায়ীদের নোটিস ধরালো জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। বুধবার থেকে অস্থায়ী দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের নোটিস দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নোটিস পেতেই চিন্তায় জাতীয় সড়কের ধার দখল করে ব্যবসা করা শতাধিক মানুষের। জায়গা খালি করার জন্য ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে নোটিসে। সড়কের দৃশ্যমানতা ফেরাতে এই উদ্যোগ বলে দাবি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের।

Advertisement

ইটাহারের চেকপোস্ট বৈদড়া থেকে দুর্গাপুর রাজবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। এই জাতীয় সড়কের ধারে সরকারি জায়গা দখল করে রয়েছে কয়েকশো অস্থায়ী দোকান ও কংক্রিটের নির্মাণ। রয়েছে বাড়িও। অনেক ক্ষেত্রে রাস্তার ধারের বিল্ডিংয়ের উপরে রয়েছে বেসরকারি সংস্থার বিজ্ঞাপনের ব্যানার পোস্টার। 
এর আগে অস্থায়ী দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের নোটিস দেওয়া হলেও দখলমুক্ত হয়নি। উলটে বেড়েছে অস্থায়ী দোকান। এতে রাস্তার দৃশ্যমানতা কমার পাশাপাশি বেড়েছে যানজট। রাজ্যে পালাবদল হতেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। সরকারি জমি দখল করে থাকা ব্যবসায়ীদের  নোটিস ধরিয়ে অস্থায়ী দোকান ও কংক্রিটের কাঠামো সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর মাইকিং করে আবার সতর্ক করা হবে ব্যবসায়ীদের। তাতেও কাজ না হলে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়ে বুলডোজার চালিয়ে জাতীয় সড়কের ধারের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হবে। গাজোল টোলপ্লাজার ম্যানেজার অভিজিৎ দাস বলেন, ইটাহার সদর চৌরঙ্গী মোড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে অন্তত ২৮৫ জন অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে এই নোটিস। নোটিস হাতে পেতেই রুজিরুটি হারানোর আশঙ্কায় ইটাহারের ব্যবসায়ীরা। ফল বিক্রেতা সুলতান আলি বলেন, খুব চিন্তায় আছি। দোকান তুলে দিলে কীভাবে সংসার চালাব। নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় অধিকাংশ ব্যবসায়ী রাস্তার ধারে অস্থায়ী দোকান করে সংসার চালান। নিরুপায় ব্যবসায়ীরা। চৌরঙ্গী মোড়ের চা বিক্রেতা রমণী বর্মন বলেন, দোকান তুলে দিলে কোথায় বসব জানি না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ