


আমেদাবাদ: ভারতের ওডিআই এবং টেস্ট দলের ক্যাপ্টেন শুভমান গিল। কিছুদিন আগে টি-২০ ফরম্যাটেও তিনিই সহ-অধিনায়ক ছিলেন। তা সত্ত্বেও বিশ্বকাপের দলে জায়গা হয়নি গিলের। আসন্ন আইপিএল কি তাঁর কাছে প্রমাণের মঞ্চ? এমন প্রশ্নের জবাবে গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়কের জবাব, ‘একেবারেই না। আইপিএলে আমার নতুন করে প্রমাণের কিছু নেই। শেষ তিন-চার বছরের পরিসংখ্যান দেখুন, এই আসরে সবচেয়ে বেশি রান রয়েছে আমার। তাছাড়া গত চার বছরে গুজরাত টাইটান্সের পারফরম্যান্সও বেশ উজ্জ্বল।’
সদ্যসমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপে সঞ্জু স্যামসনকে টপ অর্ডারে খেলানোর জন্য শুভমান গিলকে ভারতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা খেটেও গিয়েছে। সঞ্জু স্যামসনের নায়কোচিত পারফরম্যান্সের সুবাদেই টানা দু’বার টি-২০ বিশ্বকাপের খেতাব জেতে মেন ইন ব্লু। তবে গিলও ভুল কিছু বলেননি। আইপিএলে আক্ষরিক অর্থেই তিনি স্টার পারফর্মার। গত মরশুমে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল ৬৫০ রান। তার আগের মরশুমে ৪২৬। আর ২০২৩ সালে ৮৯০ রান হাঁকান। দলগতভাবেও গুজরাত টাইটান্স যথেষ্ট সফল। ২০২২ সালে আইপিএলে আবির্ভাবেই হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বে খেতাব জিতেছিল তারা। গিলের নেতৃত্বে গতবারও প্লে-অফে খেলে গুজরাত। আসন্ন মরশুম প্রসঙ্গে শুভমান গিলের সংযোজন, ‘গত চার বছর ধরে যেটা করছি সেটাই করে যাব। ধারাবাহিকতা দেখাতে পারলে শীঘ্রই আরও একটা ট্রফি জিতব।’ কোচ আশিস নেহরাও ক্যাপ্টেনের সুরে সুর মিলিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শুভমান সঠিক কথাই বলেছে। অনেকে আবার গুজরাতের মিডল অর্ডারের সমালোচনা করে। সেটা একেবারেই কাঙ্ক্ষিত নয়। টপ অর্ডার খুবই ভালো খেলে দেয় বলে মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা বেশি বল খেলার সুযোগ পায় না। তা বলে তারা কেউই খারাপ ক্রিকেটার নয়। আর এটা অস্বীকারের জায়গা নেই, গত মরশুমের শেষটা ভালো হয়নি। এবার আরও উন্নতি করতে হবে। গুজরাট টাইটান্সকে এমন টিম বানাতে চাই, যারা হোম বা অ্যাওয়ে— সব কন্ডিশনেই জেতার ক্ষমতা রাখবে।’ উল্লেখ্য, গুজরাতের এবারের স্কোয়াডে দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। ব্যাটিং বিভাগে শুভমান গিলের পাশাপাশি রয়েছে সাই সুদর্শন, জস বাটলার, গ্লেন ফিলিপসের মতো নাম। ওয়াশিংটন সুন্দর, রাহুল তেওয়াটিয়া, শাহরুখ খানের মতো অলরাউন্ডার যে কোনও দলের সম্পদ। বোলিংয়ে আছেন মহম্মদ সিরাজ, কাগিসো রাবাডা, রশিদ খানরা।