চেন্নাই: দু’জনেই বাঁ-হাতি রিস্ট স্পিনার। উভয়েই রয়েছেন ফর্মে। দিল্লি ক্যাপিটালসের কুলদীপ যাদব তিন ম্যাচে ছয়ের কম ইকনমি রেটে নিয়েছেন ৫ উইকেট। চেন্নাই সুপার কিংসের নুর আহমেদ ৬.৮৩ ইকনমি রেটে নিয়েছেন ৯ উইকেট। তিনিই আপাতত উইকেট সংগ্রহকারীর তালিকার শীর্ষে। চিপকে শনিবার দু’জনের টক্কর নিয়ে সেজন্যই আগ্রহ বাড়ছে ক্রিকেট মহলে।
প্রকাশ্যে যদিও প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ নেই। বরং নুরকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে কুলদীপ বলেছেন, ‘ও সত্যিই ভালো বল করছে। ব্যক্তিগতভাবেও চিনি নুরকে। ও সবার থেকেই শেখার চেষ্টা করে। গত রাতেই কথা হচ্ছিল নুরের সঙ্গে। আমরা একসঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। স্পিন নিয়েই চলছিল আলোচনা। ওর গুগলিটা দুর্দান্ত। আর নুর যে গতিতে বল ছাড়ে তাতে গুগলি বুঝতে পারা খুব কঠিন। তাছাড়া চেন্নাইয়ে খেলা হলে যে কোনও রিস্ট স্পিনারের বিরুদ্ধেই রান করা মুশকিল।’
কলকাতা নাইট রাইডার্সের ‘মিস্ট্রি স্পিনার’ বরুণ চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নেন ৩ উইকেট। সদ্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও বিধ্বংসী দেখিয়েছে তাঁকে। বরুণকে নিয়ে কুলদীপের মূল্যায়ন, ‘গত এক বছর ধরেই ব্রিলিয়ান্ট বল করছে ও। অবশ্য নাইটদের জার্সিতে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে।’ নিজের সম্পর্কে তাঁর বিশ্লেষণ, ‘আমি অনেক নমনীয় থাকি। ব্যাটসম্যান কীভাবে খেলে, আমাকে কীভাবে সামলাতে চাইছে, এগুলো বুঝে নিয়েই ঠিক করি কোনটা আমার সেরা ডেলিভারি হবে।’ টি-২০ ক্রিকেটের বাড়বাড়ন্তের মধ্যেও একজন স্পিনারের প্রধান কর্তব্য বল ঘোরানো বলে মনে করেন কুলদীপ। তাঁর কথায়, ‘বাঁ-হাতি বা ডান-হাতি, যে হাতেই বল করুক না কেন, একজন রিস্ট স্পিনারকে বল ঘোরানোর স্কিল শিখতেই হবে।’