Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চাকরি গিয়েছে অশিক্ষক কর্মীর, স্কুলের দরজা-জানলাও বন্ধ করতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষককে

চাকরি গিয়েছে অশিক্ষক কর্মীর, স্কুলের দরজা-জানলাও বন্ধ করতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষককে
  • ৬ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: এই স্কুলের উপর আশপাশের পাঁচ গ্রামের পড়ুয়ারা নির্ভর করে। এতদিন স্কুলে শিক্ষক সংখ্যা পর্যাপ্তই ছিল। তবে একজন মাত্র অশিক্ষক কর্মী ছিলেন। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গ্রুপ ডি’র সেই অশিক্ষক কর্মীটির চাকরিও গিয়েছে। ফলে পঠনপাঠন বাদেও স্কুলের যে বাদবাকি কাজ রয়েছে তা পড়েছে মুশকিলে। এখন দরজা-জানলা খোলা থেকে ক্লাস শেষ হওয়ার পর ঘণ্টা বাজানোর কাজ পর্যন্ত করতে হচ্ছে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে।

Advertisement

ডোমজুড়ের দক্ষিণবাড়ি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই স্কুলে ১৭ জন শিক্ষক ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দু’জন চাকরি হারান। আর চাকরি গিয়েছে একমাত্র অশিক্ষক কর্মী অংশুমান পাত্রেরও। ২০১৯ সালে কাজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কোর্টের নির্দেশ জারির পর বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলে আসছেন না। চাকরিহারা বাকি দুই শিক্ষকও আসছেন না। ফলে দরজা-জানলা খোলাবন্ধ করতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষককেই। দরজায় তালাও দিচ্ছেন তিনি। ক্লাস শেষ হওয়ার পর নিয়ম করে ঘণ্টাও বাজাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিপ্লব প্রামাণিক। বাকি শিক্ষকরাও কিছু কাজের দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন। বিপ্লববাবু বলেন, ‘২০০৫ সালে চালু হয়েছিল স্কুলটি। এটি ডোমজুড় ব্লকের কনিষ্ঠতম বিদ্যালয়। তবে ছাত্রছাত্রী কম নয়। আশপাশের পাঁচ গ্রামের ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করতে আসে। একজনই মাত্র অশিক্ষক কর্মী ছিলেন এখানে। তিনি না থাকায় সমস্যা হচ্ছে।’ চকহরি, রাজাপুর, দক্ষিণবাড়ি, মহিষগোট, মহিষনালা গ্রামের প্রায় ৬০০ ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করে দক্ষিণবাড়ি স্কুলে। পড়ুয়াদের অধিকাংশ তফসিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের। দিন দিন পড়ুয়া সংখ্যা বাড়ছে। ফলে অশিক্ষক কর্মী না থাকার ফলে ভবিষ্যতে সমস্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা শিক্ষকদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ