Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নেই অশান্তি, উৎসবের মেজাজে ভোট নিউটাউন থেকে রাজারহাটে

নিউটাউনের ইউনিওয়ার্ল্ড সিটি। হাইরাইজ আবাসন। ভিতরে দুখানা এসি বুথ। এতদিন বাইরে গিয়েই ভোট দিতে হত আবাসিকদের। এই প্রথমবার আবাসনের ভিতরেই বুথ। কোনো অশান্তি নেই।

নেই অশান্তি, উৎসবের মেজাজে ভোট নিউটাউন থেকে রাজারহাটে
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: নিউটাউনের ইউনিওয়ার্ল্ড সিটি। হাইরাইজ আবাসন। ভিতরে দুখানা এসি বুথ। এতদিন বাইরে গিয়েই ভোট দিতে হত আবাসিকদের। এই প্রথমবার আবাসনের ভিতরেই বুথ। কোনো অশান্তি নেই। নিশ্চিন্তের ভোট। তবে, কেন্দ্রীয় বাহিনীতে মোড়া। নিউটাউনের ডাঃ এ পি জে আবদুল কালাম গর্ভমেন্ট কলেজ। সেখানেও আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা। বুথের ভিতর লম্বা লাইন। সেখানে স্লো ভোটিং। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। তবে, আগ্রহ তুঙ্গে। ভোট না দিয়ে ফিরে যাননি কেউই। গন্ডগোল নেই। বহিরাগত নেই। নেই কোনো অশান্তিও। তাই নিউটাউন থেকে রাজারহাট, নারায়ণপুর থেকে বাগুইআটি। সর্বত্র উৎসবের মেজাজেই ভোট। ইউনিওয়ার্ল্ড সিটি আবাসনে গিয়ে দেখা গেল, ভোটাররা নিশ্চিন্তে ভোট দিচ্ছেন। অভিজিৎ দাস নামে এক আবাসিক বলেন, ‘এতদিন বাইরে গিয়ে আমাদের ভোট দিতে হত। এই প্রথমবার আবাসনের ভিতরে ভোট দিচ্ছি। এখানে কোনো অশান্তি নেই’। ডাঃ এ পি জে আবদুল কালাম গর্ভমেন্ট কলেজের বাইরে বেরিয়ে অনেকেই যেন দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন। কেন? তাঁদের কথায়, প্রচণ্ড স্লো ভোটিং চলছে। এত দেরি কেন হচ্ছে বুঝতে পারছি না। তবে, গন্ডগোল, অশান্তি নেই। তাই দাঁড়িয়ে থাকতেও সমস্যা নেই। ভোট দিয়েই বাড়ি ফিরছি। এই ভোট অন্যরকমের ভোট।

Advertisement

বাগুইআটি, কেষ্টপুর, রাজারহাট, নারায়ণপুর সর্বত্রই ভোটারদের মধ্যে উৎসাহের ছবি। বাঙালি ভোটার একজোট। কেউ কেউ বুথের লাইনে দাঁড়িয়েই ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তিনি বাংলাকে অপমানের জবাব দেবেন ইভিএমে।
বুথ ফেরত ভোটাদের কথায়, অবশ্য ঘাসফুল ফোটার গন্ধ পেয়েছে তৃণমূলও। তাই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী রাজারহাট-গোপালপুরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অদিতি মুন্সি এবং রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। দুজনেই দ্বিতীয়বারের জন্য প্রার্থী হয়েছেন। কেষ্টপুরে গিয়ে দেখা গেল, ভিআইপি রোডের ধারে বুথের বাইরে দীর্ঘ লাইন। বৃষ্টির জেরে গরম কিছটা কম। ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে দিব্যি গল্পও করছেন প্রতিবেশীরা। যেন আড্ডার মেজাজ। বিকেলের পর ফুরফুরে হাওয়া। এক ভোটার বললেন, এই হাওয়া বাংলা ও বাঙালিকে বাঁচানোর হাওয়া। শুধু ফুল ফোটার অপেক্ষা।

সম্পর্কিত সংবাদ