পুরভোটে দলবদলুদের টিকিট নয়, ফের স্পষ্ট করলেন শমীক
  • ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘বিজেপিতে যে কেউ যোগ দিতে চাইতে পারেন। তাতে বিজেপির কী করার থাকতে পারে?’ সোমবার দিল্লিতে এনসিপিআই সাংসদদের চরম কটাক্ষ করে ‘বর্তমান’কে জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। একইসঙ্গে তিনি আবারও বুঝিয়ে দিলেন, কলকাতা এবং হাওড়ার পুরভোটে কোনো দলবদলুকে টিকিট দেবে না পদ্মপার্টি। এদিন শমীকবাবু ‘বর্তমান’কে স্পষ্টই বলেছেন, ‘প্রার্থী পদের দৌড়ে কোনো সুপারিশের জায়গাই নেই। এক্ষেত্রে বিজেপি শুধুমাত্র দলের ঘাম-রক্ত ঝরানো নেতাকর্মীদের উপরই ভরসা করছে।’ 

Advertisement

এনসিপিআইয়ের এমপি, অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ আদৌ সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে লক্ষ্মীপুজোর দিন বিদ্রোহী তৃণমূলী সাংসদদের অন্যতম সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই এসংক্রান্ত চর্চা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সোমবার শমীকবাবুর মন্তব্য এহেন যাবতীয় চর্চা কিংবা জল্পনায় ফের জল ঢেলে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘কেউ পুজোয় আমন্ত্রণ জানালে মুখ্যমন্ত্রী যেতেই পারেন। এটি নিছকই সৌজন্য সাক্ষাৎ। এর সঙ্গে পুরসভা নির্বাচনের কোনো সম্পর্কই নেই। কলকাতা এবং হাওড়ার পুরভোটে বিজেপি একাই লড়াই করবে। এটিই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। তবে বিজেপি একটি সর্বভারতীয় দল। আমি দলের রাজ্য সভাপতি। তাই আমি বঙ্গ শিবিরের বিষয় বলতে পারি। দিল্লির নেতৃত্ব তার মতো করে সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। আসন্ন পুরভোটে বঙ্গ বিজেপির অগ্রাধিকার দলের কর্মীরাই।’ বিজেপির কেন্দ্রীয় সূত্রেও খবর,  এনসিপিআই সাংসদদের এখনই বিজেপিতে সরাসরি যোগদান করানো হবে না। এসংক্রান্ত বিষয়ে সংসদীয় যে জটিলতা রয়েছে, আপাতত তা মেটার অপেক্ষা করা হচ্ছে। 
সোমবার শমীকবাবু জানিয়েছেন, কলকাতা এবং হাওড়া পুরভোটে একক ক্ষমতায় বোর্ড গঠন করতে বিজেপির কোনো সমস্যা নেই। শমীকবাবু বলেন, ‘জেতার পর কলকাতা এবং হাওড়ায় আমাদের অন্যতম প্রধান কাজই হবে শহরের প্রত্যেক বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া। পাশাপাশি বস্তি এলাকাগুলোতে যাতে আধুনিক পরিষেবা মেলে, তাও দলের অগ্রাধিকারের মধ্যেই থাকবে।’ ইতিমধ্যেই দলের বস্তি উন্নয়ন সেলকে সক্রিয় করেছে বিজেপি।