নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বড়মাসহ নৈহাটিতে বেশ কয়েকটি বড়ো পুজো হয়। দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন। কিন্তু বছরের পর বছর তাঁদের গাড়ি পার্কিং করতে সমস্যায় পড়তে হয়। সে কথা স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। বিষয়টি সমাধানের জন্য ৫ নভেম্বর একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক।
সাধারণত বড়মার মন্দিরে যেতে হলে ঘোষপাড়া রোডের উপরে ৭৩ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের সামনে দিয়ে যেতে হয়। কিছুটা যাওয়ার পর গাড়ি চলার মত অবস্থা থাকে না। একদিকে মানুষের ভিড়, সেইসঙ্গে সংকীর্ণ রাস্তার উপর বেশ কয়েকটি পুজো হয়। গাড়ি একটি মাঠে রাখতে হয়। তারপর অনেকটা পথ হেঁটে গঙ্গার পাড় ধরে স্বপ্নবীথি পার্কের সামনে দিয়ে অরবিন্দ রোডে পৌঁছতে হয়। ব্যস্ততম অরবিন্দ রোডের ভিড়ে গাড়ি চলাচলের উপায় থাকে না। অটো, টোটো সব বন্ধ থাকে। বেলা দুটোর পর থেকে ঘোষপাড়া রোডে যানবাহন বন্ধ। এর ফলে যাঁরা গাড়ি নিয়ে বড়মাকে দর্শন ও পুজো দিতে আসেন, তাঁদের চরম সমস্যায় পড়তে হয়।
সমস্যা সমাধান করতে পুলিশ কমিশনার হেঁটে গোটা এলাকায় ঘুরে দেখেছেন। কালীপুজোর দিন অর্থাৎ ৮ নভেম্বর দুপুরের পর থেকে পরের দিন ভোরবেলা পর্যন্ত কোনোরকম গাড়ি চলাচলের সম্ভাবনা নেই। তবে এবার দর্শনার্থীরা অরবিন্দ রোডের উপরে এক মুখে যাতায়াত করতে পারবেন। দ্বিমুখী যাতায়াত বন্ধ থাকবে। অরবিন্দ রোডের উপরে শুধু বড়মা নয়, আরও ছটি বড়ো পুজো হয়। কদমকালী, গাঁজা কালী, বেচা কালী, হকার কালী প্রভৃতি। এছাড়া নৈহাটিতে হকার অ্যাসোসিয়েশন, নিউ স্টার ক্লাব, গোপাল স্মৃতি সংঘ সহ বেশ কয়েকটি বড়ো মাপের কালীপুজো হয়।
যা দেখতে ভিড় উপচে পড়ে। এই ভিড় সামাল দেওয়া প্রশাসনের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ। যাঁরা গাড়ি করে প্রতিমা দেখতে আসবেন, সেইসব গাড়ি কোথায় পার্কিং করা হবে
তা নিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছেন পুলিশ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা। বিধায়ক জানিয়েছেন, আলোচনা চলছে। ৫ নভেম্বর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নিজস্ব চিত্র



