নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গতবার ডাক পাননি। তবে আজ মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় দলের বৈঠক ডাকা হয়েছে বিদ্রোহী তৃণমূলকে। তাঁরা যাবেনও। জানিয়েছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার। ‘মঙ্গল মিলন’ নামে (মঙ্গলবার বৈঠক বলে ওই নাম দিয়েছেন মোদি) বৈঠকে তো আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। কিন্তু ‘এনসিপিআই’ (ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া) সাংসদ হিসাবে কেন লোকসভায় স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না? এই প্রশ্নর উত্তর এখনও অধরা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-কাকলি ঘোষদস্তিদারদের কাছে। তাই সোমবারও নিজেদের মর্যাদার দাবিতে সংসদ বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শতাব্দী রায় এবং জুন মালিয়া। তবে তিনি আগের অবস্থানেই রয়েছেন। দায়িত্ব এড়িয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে বিদ্রোহী তৃণমূলিদের দরবার করতে পরামর্শ দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দিল্লি আসার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এই এনসিপিআই গোষ্ঠীর পরিকল্পনা ছিল, বিজেপিকে দিয়েই বিজেপির উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নেওয়া হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দিল্লি সফর বাতিল করেছেন শুভেন্দু। তাই সুদীপ-কাকলিদের সেই কৌশলও ভেস্তে গিয়েছে। ফলে বাদল অধিবেশনে এখনও ‘না ঘর কা, না ঘাট কা’ দশা কাটছে না বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের।
এদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূলিরা যখন নিজেদের স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন, তখন তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের পালটা উদ্যোগ নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জোড়াফুলে জিতে এখন বিদ্রোহ করে অন্য দলে নাম লেখানোয় ২০ তৃণমূল সাংসদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে গত ১৯ জুন স্পিকার ওম বিড়লার কাছে রীতিমতো স্ট্যাম্প পেপারে পিটিশন দিয়েছেন অভিষেক। তার এখনও কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। তাই সোমবার ফের স্পিকারকে সঙ্গে দেখা করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জানতে চাওয়া হয়েছে, কী হল তাঁদের আবেদনের? কেন এখনও খারিজ হচ্ছে না বিদ্রোহী ২০ জনের সদস্যপদ? তৃণমূলের লোকসভার উপদলনেতা সৌগত রায় বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তা প্রত্যহারের জন্যও স্পিকারকে অনুরোধ করেছি।