নয়াদিল্লি: কাস্টমার স্যাটিসফ্যাক্টরি ইনডেক্স (সিএসআই) অর্থাৎ যাত্রী সাচ্ছন্দ্য সূচকে দেশের এক নম্বর বিমানবন্দর খাজুরাহো। অথচ জুলাই মাসের শুরু থেকে এই বিমানবন্দরে একটিও যাত্রীবাহী উড়ান চলাচল করেনি। স্বাভাবিকভাবে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (এএআই) এই সূচকের মাপকাঠি ঘিরে রীতিমতো বিতর্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
১৯৬০ সালে তৈরি হয়েছিল খাজুরাহো বিমানবন্দর। ১৯৭৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান চলাচল শুরু হয়। জানা যাচ্ছে, এই বিমানবন্দর যখন পুরোদমে চালু ছিল তখনো দিল্লি ও বারাণসীগামী মাত্র ২টি বিমান এই এয়ারপোর্টে অবতরণ করত। দুটি পরিষেবাই এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে। বিমানবন্দরের ডিরেক্টর সন্তোষ সিং জানিয়েছেন, ‘এখান থেকে সাধারণত দিল্লি ও বারাণসীগামী বিমান যাতায়াত করত। তবে গত ১ জুলাই থেকে সেগুলির পরিষেবা বন্ধ রয়েছে।’ সন্তোষের আশা, আগামী অক্টোবর মাস থেকে ফের যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে। তবে বর্তমানে দিল্লি ও বারাণসীগামী উড়ান কেন বন্ধ রাখা হয়েছে, সেবিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানাননি তিনি।
বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্ট, পার্কিং, ওয়াইফাই, খাবার, পরিচ্ছন্নতা সহ ৩৩টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে যাত্রী সাচ্ছন্দ্য সূচক বা সিএসআই। প্রতি ৬ মাসে সেই র্যাকিং প্রকাশ করে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া। সেই সূচকেই দেশের প্রথম সারির বিমানবন্দরগুলিকে টপকে গিয়েছে খাজুরাহো।