নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুরে এক নামী স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীর ওপর যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি বলে আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিয়ে জানাল পুলিস। ঘটনার ৫৮ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার কলকাতার নগর দায়রার বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক পাপিয়া দাসের এজলাসে ওই রিপোর্ট পেশ করেন তদন্তকারী পুলিস অফিসার পারমিতা সেন। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে বিচারক আগামী ২১ মে অভিযোগকারিণী ছাত্রীটির মাকে কোর্টে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনাকে ঘিরে সে সময় স্কুল চত্বরের বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। স্কুলের অভিভাবকদের তরফ থেকে স্কুল চত্বরে সিসি ক্যামেরা বাড়ানোর দাবিও উঠেছিল। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর কলকাতার ওই স্কুলের ছাত্রীটির মায়ের অভিযোগ ছিল, ঘটনার দিন স্কুলের সংস্কারের কাজে নিযুক্ত এক রাজমিস্ত্রি তাঁর মেয়েকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে ডেকে যৌন হয়রানি করে। ওই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস একটি পকসো মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্তে নামে। আদালতে সরকার পক্ষ থেকে ছাত্রীটির গোপন জবানবন্দি দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। কিন্তু তারপর আদালতের ওই নির্দেশের পরেও ছাত্রীটি কোর্টে আসেনি বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দিতে। এছাড়াও অন্যান্য আইনি বিষয়েও হাজির হননি ছাত্রীটির মা। ছাত্রীটির জন্মের শংসাপত্রও পুলিসকে দিতে অস্বীকার করেন তিনি।



