


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত বুধবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে পার্টির রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষেই নিউটাউনের একটি হোটেলে হুমায়ুন কবীরের ‘মন বুঝতে’ গিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। মাঝখানে কেটে গিয়েছে এক সপ্তাহ। বিতর্ক বেড়েই চলেছে। নিয়মমাফিক ফের বুধবার সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে বসলেন সেলিম। আলিমুদ্দিন সূত্রের খবর, এদিন বৈঠকে সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক নেতা স্পষ্ট জানান, হুমায়ুনের সঙ্গে জোট নয়।
সূত্রের খবর, সম্পাদকমণ্ডলীতে কোনো আলোচনা না করেই ‘সাক্ষাতে’ গিয়েছিলেন সেলিম। এই ইস্যুতে বঙ্গ সিপিএম ভাগ হয়েছিল আড়াআড়ি। আলিমুদ্দিন সূত্রের খবর, সম্পাদকমণ্ডলীর নেতারা জানিয়েছেন, সাক্ষাতের বিষয়টি মোটেই ভালো বার্তা দেয়নি। ‘সাক্ষাত্’ পরবর্তী অভিঘাতও আলোচনা করা হয়েছে। রাজ্য সম্পাদকও তাঁর বক্তব্য জানিয়েছেন। আজ, বৃহস্পতিবার বামফ্রন্টের বৈঠক ডাকা হয়েছে। এদিন দুপুর থেকে একটানা বিকেল পর্যন্ত সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক চলে। সূত্রের খবর, ‘সাক্ষাত্’ পরবর্তীতে তরুণ নেতারা প্রকাশ্যে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন। তাঁদেরও ডেকে বার্তা দেওয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এদিন সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, ‘হুমায়ুনের সঙ্গে বৈঠকের তাগিদ মহম্মদ সেলিম কেন অনুভব করলেন, আমি জানি না। নৌশাদ এখন একমাত্র তৃতীয় শক্তির মুখ। বৃহত্তম বামঐক্য গড়ে উঠুক।’