সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: নিতুড়িয়ার সড়বড়ি এলাকায় নকল বিদেশি মদ তৈরির কারখানার হদিশ পেল পুরুলিয়া জেলা পুলিস। মঙ্গলবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে জেলার বিশাল পুলিস বাহিনী ওই কারখানায় পৌঁছয়। অভিযানে জেলার এক অতিরিক্ত পুলিস সুপার সহ রঘুনাথপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক রোহেদ শেখ, সাঁওতালডিহি ও রঘুনাথপুর থানার আইসি, নিতুড়িয়া থানার ওসি সহ একাধিক পুলিস আধিকারিক অভিযানে শামিল হয়। সেখানে গিয়ে পুলিস আধিকারিকরা রীতিমতো চমকে ওঠেন। তাঁরা দেখেন, অবৈধভাবে নকল মদ তৈরি করা হচ্ছে। তা বিভিন্ন নামী কোম্পানির বিদেশি মদের নকল স্টিকার লাগানো বোতলে ভরা হচ্ছিল। কয়েকজন যুবক মিলে এই কাজ করত। কারখানা থেকে কয়েক লক্ষ অবৈধ মদের বোতল উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে ঘটনার বিষয়ে পুলিস কোনও খোলাসা করতে চায়নি। এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা গিয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সড়বড়ি গ্রামে থেকে কিছুটা দূরে সড়বড়ি-পাঞ্চেৎ সড়কের কাছে একটি বাড়ি রয়েছে। সেই বাড়ির বাইরে বেশ কয়েকটি স্টল রয়েছে। ভিতরে বিশাল গোডাউন সহ ফাঁকা জায়গা রয়েছে। সেই গোডাউন ভাড়া নিয়েই অবৈধ মদ তৈরির কারখানাটি চলছিল বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাদের মদতে কীভাবে বিনা লাইসেন্সে মদ তৈরি হচ্ছিল তার খোলাসা করা হোক। পুলিস সঠিকভাবে তদন্ত করলে ঘটনায় অনেক বড় মাথা বেরিয়ে আসবে।
পুলিসের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে মদ কারখানার বিষয়ে পুলিসের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে। বিকেলে ১০-১২টি গাড়ি কারখানায় বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে পৌঁছয়। কারখানাটি বাইরে থেকে পুলিস দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। পুলিস গিয়ে দেখে সারিবদ্ধভাবে বিভিন্ন বিদেশি দামি কোম্পানির লেভেল বোতলে বসিয়ে মদ প্রস্তুত করা হচ্ছে। আবার তৈরি হওয়া বোতলগুলি সারিবদ্ধভাবে রাখা রয়েছে। ঘটনা দেখে পুলিস রীতিমতো হতবাক হয়ে যায়। সমস্ত অবৈধ মদের বোতল বাজেয়াপ্ত করা হয়। যদিও এদিন কারখানার ভিতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রচুর পরিমাণ মদ পাওয়া গিয়েছে। সমস্ত মদ দিয়ে দশচাকার দু’টি লরি ভর্তি হয়ে যাবে। ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিসের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে মদ কারখানার বিষয়ে পুলিসের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে। বিকেলে ১০-১২টি গাড়ি কারখানায় বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে পৌঁছয়। কারখানাটি বাইরে থেকে পুলিস দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। পুলিস গিয়ে দেখে সারিবদ্ধভাবে বিভিন্ন বিদেশি দামি কোম্পানির লেভেল বোতলে বসিয়ে মদ প্রস্তুত করা হচ্ছে। আবার তৈরি হওয়া বোতলগুলি সারিবদ্ধভাবে রাখা রয়েছে। ঘটনা দেখে পুলিস রীতিমতো হতবাক হয়ে যায়। সমস্ত অবৈধ মদের বোতল বাজেয়াপ্ত করা হয়। যদিও এদিন কারখানার ভিতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রচুর পরিমাণ মদ পাওয়া গিয়েছে। সমস্ত মদ দিয়ে দশচাকার দু’টি লরি ভর্তি হয়ে যাবে। ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



