সংবাদদাতা, বারুইপুর: নিকাশি নালা কাটা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলা। এর মধ্যেই বন্দুক বের করে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর বিরুদ্ধে। এভাবে বন্দুক নিয়ে দাপাদাপির ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে বারুইপুরের মল্লিকপুর পঞ্চায়েতের সুভাষগ্রাম পাঁচঘড়া এলাকায়। ওই প্রাক্তন সেনাকর্মীকে এলাকার লোকজন ধরে ফেলেন। খবর দেওয়া হয় বারুইপুর থানায়। পুলিস এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ওই বন্দুক। কেন বন্দুক ঘরে রেখেছিলেন তিনি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ওই প্রাক্তন সেনাকর্মী আতিয়ার রহমান মোল্লা ওরফে খোকন মণ্ডলের দাবি, আত্মরক্ষার জন্যই বন্দুক রেখেছেন তিনি।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে পাঁচঘড়ার বাসিন্দা মিন্টু ঘরামির বাড়ির পাশে নিকাশিনালা তৈরির কাজ চলছিল। তখন তাঁর আত্মীয় বসির ঘরামি এসে সেই কাজে বাধা দেন। এ নিয়ে গণ্ডগোল বাঁধলে শাসকদলের নেতা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য আয়ুব গাজি এলাকায় আসেন। দু’পক্ষকে বসিয়ে মিটমাটও করে দেন তিনি। এরপর ফের উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়। অভিযোগ, আচমকা বসির ঘরামির বড় জামাই আতিয়ার রহমান মোল্লা বন্দুক নিয়ে মিন্টু ঘরামির উপর চড়াও হন। তাঁর পরনে ছিল পুলিসের এনসিসির জ্যাকেট। মিন্টু ঘরামির স্ত্রী সুমি ঘরামি বলেন, আমাদের মধ্যে গণ্ডগোল মিটে গিয়েছিল। তারপর আচমকা বসিরের বড় জামাই এসে গণ্ডগোল শুরু করলেন। শুধু বন্দুক নয়, আতিয়ারের হাতে ছিল লোহার রডও। আমার স্বামীর লাশ ফেলে দেবেন বলে হুমকি দেনি তিনি। মিস্ত্রিদের কাজও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর লোকজন জড়ো হলে বন্দুক নিয়ে শ্বশুরের ঘরে লুকিয়ে পড়েন আতিয়ার। স্থানীয় বাসিন্দারা এসে তাঁকে ধরে ফেলেন। পরে পুলিস এসে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। পুলিস জানিয়েছে, আতিয়ার রহমান মোলার বাড়ি ধপধপি এলাকায়। ২০২০ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছিলেন। ওই বন্দুকের লাইসেন্স রয়েছে।



