ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে নির্বিচার হামলা দেখেছে গোটা বিশ্ব। হামলা চলেছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের বাড়িতেও। অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুরের হাত থেকে রেহাই পাননি আওয়ামি লিগের অন্যান্য নেতারাও। নীরব দর্শক থেকেছে পুলিস-সেনা। ‘গান্ধারী’র ভূমিকা পালন করেছে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তারই মধ্যে বুধবার তিনটি স্থানে ‘গোপন কারাগার’ পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস। আর সেই ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। ইউনুসের সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভুক্তভোগী ও সাংবাদিকরা। অভিযোগ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জমানায় সরকারের সমালোচকের উঠিয়ে এনে অত্যাচার করা হতো ‘আয়নাঘর’ নামে কুখ্যাত এই গোপন কারাগারগুলিতে। যদিও ইউনুসের সমালোচকরা পাল্টা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনে বাংলাদেশের চলতি নৈরাজ্য থেকে নজর ঘোরাতেই ইউনুসের এদিনের এই পরিদর্শন।
Advertisement
এরইমধ্যে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার দপ্তরের তরফে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে হাসিনা সরকারকে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত গ্রীষ্মে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের আন্দোলন ভাঙতে নৃশংস অত্যাচার চলেছে। ছ’সপ্তাহের ওই আন্দোলনে দফায় দফায় সরকারি বাহিনীর অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন আরও অসংখ্য মানুষ। হতাহতের অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে সরকারি বাহিনীর চালানো গুলিতে। মানবাধিকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। এবিষয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।
মহম্মদ ইউনুস এদিন ঢাকার আগারগাঁও, কচুক্ষেত ও উত্তরা এলাকায় তিনটি গোপন কারাগার ঘুরে দেখেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে একথা জানানো হয়েছে। গোপান জেলগুলি পরিদর্শনের পর ইউনুস বলেন, বিগত সরকার ‘অন্ধকার যুগ’ প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই গোপন বন্দিশালা তারই নমুনা। বীভৎস দৃশ্য। নৃশংস জিনিস হয়েছে এখানে। তিনি আরও বলেন, যতটাই শুনি মনে হয়, অবিশ্বাস্য, এটা কি আমাদেরই জগৎ, আমাদের সমাজ? যাঁরা নিগৃহীত হয়েছেন, তাঁরাও আমাদের সমাজেই আছেন। তাঁদের মুখ থেকে শুনলাম। কী হয়েছে, কোনও ব্যাখ্যা নেই।
মহম্মদ ইউনুস এদিন ঢাকার আগারগাঁও, কচুক্ষেত ও উত্তরা এলাকায় তিনটি গোপন কারাগার ঘুরে দেখেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে একথা জানানো হয়েছে। গোপান জেলগুলি পরিদর্শনের পর ইউনুস বলেন, বিগত সরকার ‘অন্ধকার যুগ’ প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই গোপন বন্দিশালা তারই নমুনা। বীভৎস দৃশ্য। নৃশংস জিনিস হয়েছে এখানে। তিনি আরও বলেন, যতটাই শুনি মনে হয়, অবিশ্বাস্য, এটা কি আমাদেরই জগৎ, আমাদের সমাজ? যাঁরা নিগৃহীত হয়েছেন, তাঁরাও আমাদের সমাজেই আছেন। তাঁদের মুখ থেকে শুনলাম। কী হয়েছে, কোনও ব্যাখ্যা নেই।



