Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নৈহাটির তৃণমূল কর্মী খুনে বালিয়ার  খাটাল থেকে পাকড়াও আরও দুই

নৈহাটির তৃণমূল কর্মী খুনে বালিয়ার  খাটাল থেকে পাকড়াও আরও দুই
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: উত্তরপ্রদেশের বালিয়াতে গা ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা হলো না রাজেশ সাউয়ের। নৈহাটির তৃণমূল কর্মী সন্তোষ যাদব খুনে মূল অভিযুক্ত তিনি। তাঁর এক সাগরেদ বিশাল সাউকেও বালিয়া থেকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। দু’জনেই একটি গোরুর খাটালে কাজ শুরু করেছিলেন। সব মিলিয়ে সন্তোষ খুনে মোট গ্রেপ্তার হল ছ’জন। রাজেশ ও তার সঙ্গীকে বারাকপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে কী কারণে খুন, ঘটনায় আর কার যোগ রয়েছে- তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী অফিসাররা। 
Advertisement
প্রসঙ্গত, ৩১ জানুয়ারি বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ নৈহাটির গৌরীপুরে গোয়ালাপাড়া পার্কের কাছে জলের ট্যাঙ্কের সামনে প্রকাশ্যে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হয় তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী সন্তোষ যাদবকে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে রাজেশ সহ ছ’জনের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। দু’টি বাইকে তাঁরা ধাওয়া করে টোটো থেকে সন্তোষকে নামিয়ে রাস্তায় ফেলে খুন করে। তদন্তে নেমে প্রথমে পুলিস গ্রেপ্তার করে রাজেশের শ্যালক অক্ষয় গোন্ডকে। পরে হুগলির রিষড়া থেকে গ্রেপ্তার হয় রঞ্জিত সাউ। পরে পুলিস জানতে পারে, রাজেশ সহ বাকি দুষ্কৃতীরা ভিন রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে। সেই মতো পুলিসের পুলিসের দু’টি টিম যায় উত্তরপ্রদেশে। বালিয়া থেকে দিন কয়েক আগে পুলিস গ্রেপ্তার করে আনে আকাশ সাউ এবং উপেন্দর তাঁতিকে। কিন্তু নাগালে পেয়েও বেরিয়ে যায় রাজেশ সহ বাকি অভিযুক্তরা। অবশেষে উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার ফেফনা থানা এলাকার একটি খাটালে তল্লাশি চালিয়ে দু’দিন আগে পুলিস রাজেশ ও বিশাল সাউকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিস জানিয়েছে, সোমবার সেখানকার আদালত থেকে চারদিনের ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে তাদের মঙ্গলবার নৈহাটিতে নিয়ে আসা হয়। এদিনই তাদের বারাকপুর মহাকুমা আদালতে তোলা হয়। বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের ডি সি নর্থ গণেশ বিশ্বাস বলেন, ওই খুনের ঘটনায় ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হবে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা আরও এক অপরাধী এখনও অধরা। পুলিস তাঁর খোঁজে হন্যে হয়ে তল্লাশি শুরু করেছে।   
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ