নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সরকারি স্বাস্থ্যবিমা ইএসআই পরিষেবার বিস্তারে দেশের প্রত্যেকটি জেলায় ডিসপেনসারি তথা শাখা অফিস (ডিসিবিও) খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। যেখানে মিলছে প্রকল্পের সুবিধা ও পরিষেবা। কেন্দ্রের বক্তব্য, এর ফলে জেলা বা এলাকায় কাছাকাছি কোনও ইএসআইয়ের হাসপাতাল না থাকলেও পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবেন না গ্রাহকরা। উদ্দেশ্য মহৎ হলেও শুরুতেই তা রূপায়ণে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। কারণ, দেশে এমন অনেক ডিসিবিও আছে যেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসন শূন্য রয়ে গিয়েছে। ফলে সেগুলি পরিচালনায় চূড়ান্ত সমস্যা হচ্ছে। ঠিকমতো পরিষেবা পাচ্ছেন না গ্রাহকার। দিনের পর দিন কেটে গেলেও কেন এই সমস্ত শূন্য অসনে নিয়োগ করা হয়নি? উঠছে প্রশ্ন। কর্মচারী রাজ্য বিমা নিগমের রিপোর্টেই দেখা যাচ্ছে, সারা দেশে ডিসিবিও পরিচালনা সংক্রান্ত শূন্য আসন রয়েছে ৬২টি। পশ্চিমবঙ্গে এমন ১০টি পদে নিয়োগ হয়নি। ইএসআইসির রিপোর্ট অনুযায়ী, ফলতা ডিসিবিওতে তিনটি, হলদিয়া ডিসিবিওতে চারটি এবং মালদহ, দার্জিলিং ও সিউরির ডিসপেনসারি তথা ব্রাঞ্চ অফিসে একটি করে পদ খালি। এগুলি ইএসআইসির কলকাতা আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতাধীন। এদিকে, সারা দেশে ডিসিবিওগুলির বাস্তব অবস্থা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে হইচই। বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি আসরে নেমেছে কর্মচারী রাজ্য বিমা নিগম কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, অবিলম্বে শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করতে হবে।



