নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সিবিআইয়ের চার্জশিটে এক বিজেপির নেতার নাম জড়াল। অভিযুক্ত ওই বিজেপি নেতার নাম অরুণ হাজরা ওরফে চিনু। একসময় তিনি তৃণমূলে ছিলেন। এদিন ওই নেতা ছাড়াও সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’ এবং শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিল সিবিআই।
Advertisement
শুক্রবার কলকাতার ‘বিচার ভবনের’ সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ওই চার্জশিট পেশ করা হয়। অভিযোগ উঠেছিল, এই অরুণ হাজরার সুপারিশেই কাকুর মাধ্যমে কিছু প্রার্থীর চাকরি হয়েছিল। এদিকে, অভিযোগ, বাজার থেকে ৭৮ কোটি টাকা তোলার অভিযোগ ওঠে এই অরুণের বিরুদ্ধে। চার অনুগামীর মাধ্যমে ওই বিপুল টাকা তোলা হতো। এদিকে, চার্জশিটে এই বিজেপি নেতার নাম আসা প্রসঙ্গে, তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, চার্জশিটে যে বিজেপি নেতার নাম এসেছে, তার কৈফিয়ত বিজেপিকেই দিতে হবে।
অন্যদিকে, বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, অরুণ ওরফে চিনু হাজরা আমাদের দলে রয়েছেন। লোকসভার ভোটে প্রচারও করেছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি বাজার থেকে এত কোটি টাকা তুলেছেন, এটা আমার জানা নেই। কারণ তৃণমূলে থাকাকালীন উনি তৃণমূলে বিরাট মাপের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন না।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তদের ওই নথির প্রতিলিপি সরবরাহের দিন ধার্য হয়েছে। এই মামলায় অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণ আপাতত জামিনে মুক্ত। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কীভাবে যোগসাজশের অভিযোগ ওঠে, তা নিয়ে সিবিআই চার্জশিটে সবিস্তার উল্লেখ করে। যদিও অভিযুক্তরা প্রথম থেকেই দাবি করেন, তাঁদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজয়কৃষ্ণকে প্রথম গ্রেপ্তার করে ইডি। পরে সিবিআই’ও তাঁকে তাদের মামলায় যুক্ত করে। এমনকী, তদন্তে ‘গতি’ আনার জন্য ব্যাঙ্কশাল আদালতে সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনাও সংগ্রহ করে তারা। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শান্তনুকে আগেই গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। পরে তাঁকে হেফাজতে নেয় সিবিআই। তদন্তে নেমে শান্তনুরও কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, অরুণ ওরফে চিনু হাজরা আমাদের দলে রয়েছেন। লোকসভার ভোটে প্রচারও করেছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি বাজার থেকে এত কোটি টাকা তুলেছেন, এটা আমার জানা নেই। কারণ তৃণমূলে থাকাকালীন উনি তৃণমূলে বিরাট মাপের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন না।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তদের ওই নথির প্রতিলিপি সরবরাহের দিন ধার্য হয়েছে। এই মামলায় অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণ আপাতত জামিনে মুক্ত। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কীভাবে যোগসাজশের অভিযোগ ওঠে, তা নিয়ে সিবিআই চার্জশিটে সবিস্তার উল্লেখ করে। যদিও অভিযুক্তরা প্রথম থেকেই দাবি করেন, তাঁদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজয়কৃষ্ণকে প্রথম গ্রেপ্তার করে ইডি। পরে সিবিআই’ও তাঁকে তাদের মামলায় যুক্ত করে। এমনকী, তদন্তে ‘গতি’ আনার জন্য ব্যাঙ্কশাল আদালতে সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনাও সংগ্রহ করে তারা। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শান্তনুকে আগেই গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। পরে তাঁকে হেফাজতে নেয় সিবিআই। তদন্তে নেমে শান্তনুরও কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়া হয়।



