সাও পাওলো: ব্রাজিল দলে ১০ নম্বর শুধু জার্সি নয়, ঐতিহ্যও বটে। অতীতে পেলে, জিকো, রিভাল্ডো, রোনাল্ডিনহো, কাকার মতো কিংবদন্তিরা এই জার্সি পরে মাঠ কাঁপিয়েছেন। তারপর তা নেইমারের গায়ে ওঠে। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে দেশের জার্সিতে কোনো ম্যাচ খেলেননি তারকা উইঙ্গার। এই পর্বে ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি পরে ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে খেলতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু নেইমার ফের জাতীয় দলে ফেরায় চিন্তায় টিম ম্যানেজমেন্ট। আসন্ন বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি কার গায়ে উঠবে? নেইমার না ভিনিসিয়াস? ফুটবল বিশ্বে এটাই এখন হট টপিক। তবে ভিনিসিয়াস নিজে এই তর্কে জল ঢেলেছেন। এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ‘জানি না, আমি বিশ্বকাপে কত নম্বর জার্সি পরব। তবে ১০ নম্বর জার্সি নেইমারেরই যোগ্য।’
অস্বীকারের জায়গা নেই, নেইমার তাঁর সেরা সময় পিছনে ফেলে এসেছেন। এবার বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও তাঁকে প্রাথমিকভাবে রাখতে চাননি কোচ কার্লো আনসেলোত্তি। তবে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন চাপের কাছে নতি স্বীকার করে চূড়ান্ত দলে নেইমারকে রাখতে একপ্রকার বাধ্য হন। কিন্তু প্রচণ্ড চোটপ্রবণ তারকা উইঙ্গারকে ক’টা ম্যাচে শুরু থেকে খেলতে দেখা যাবে? তা নিয়ে সংশয় থাকছেই। পক্ষান্তরে ভিনিসিয়াস এখন ব্রাজিল দলে বড় নাম। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা, ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ পুরস্কার পাওয়া তারকা তিনি। প্রাক্তন রিয়াল কোচ আনসেলোত্তির প্রথম একাদশে তিনি যে অটোমেটিক চয়েস, তা আন্দাজ করতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই অনেকে দাবি তুলেছিলেন, বিশ্বকাপে ভিনিসিয়াসের গায়েই যেন ১০ নম্বর জার্সি থাকে। তবে স্বয়ং তিনিই জানিয়ে দিলেন, এখনও দলের লিডার নেইমার। কদিন আগে রাফিনহাও প্রকাশ্যে তাঁর ‘আইডলের’ সঙ্গে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নের কথা বলছিলেন। এবং তিনি নেইমারকে দেখেই যে উইঙ্গার হয়েছেন, সেকথাও বলেছেন।