আমেদাবাদ: গ্রুপ ‘ডি’ থেকে সুপার এইটে কার্যত নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। উভয় দলই জিতেছে দুটো করে ম্যাচ। শনিবার মোতেরার দ্বৈরথ গ্রুপের সেরা দল নির্ধারণ করতে পারে। এই ম্যাচে যারা জিতবে, তাদেরই এক নম্বর দল হওয়ার সম্ভাবনা। ফলে এই দ্বৈরথ নিয়ে রীতিমতো হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আবহ।
নিউজিল্যান্ড দুটো ম্যাচেই দাপটে জিতেছে। আফগানিস্তানকে ৪ উইকেটে হারানোর পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে দুরমুশ করে জয় এসেছে ১০ উইকেটে। কাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার মিচেল স্যান্টনারের দল। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচে ৫৭ রানে হারায় কানাডাকে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অবশ্য প্রায় নাভিশ্বাস উঠেছিল প্রোটিয়াদের। রক্তচাপ বাড়ানো ম্যাচে দ্বিতীয় সুপার ওভারে হয় ফয়সালা। আইডেন মার্করামরা মাথা ঠান্ডা রেখে করেন বাজিমাত।
এই ম্যাচে বাড়তি সুবিধা থাকবে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে। আগের দুটো ম্যাচই মোতেরায় খেলেছে তারা। ফলে কন্ডিশনের সঙ্গে অনেক বেশি পরিচিত তারা। পিচে ভালো বাউন্স রয়েছে। ফলে পেসাররা যেমন সাহায্য পাবেন, শটও নেওয়া যাবে। কাগিসো রাবাডা, লুঙ্গি এনগিডিরা রয়েছেন ফর্মে। কিউয়ি ওপেনার টিম সেফার্ট ও ফিন অ্যালেনের সঙ্গে তাঁদের লড়াই উপভোগ্য হতে চলেছে। কারণ, এই দু’জন আমিরশাহির বিরুদ্ধে মাত্র ১৫.২ ওভারে ১৭৪ তুলে ১০ উইকেটে জেতান নিউজিল্যান্ডকে। ম্যাট হেনরি, লকি ফার্গুসনের মতো কিউয়ি পেসারদের চ্যালেঞ্জ আবার শুরুতে কুইন্টন ডি’কক, মার্করামদের শান্ত রাখা। প্রোটিয়াদের মিডল অর্ডারও কম বিস্ফোরক নয়। ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবসরা আছেন। কিউয়িদের মিডল অর্ডার আবার রাচীন রবীন্দ্র, গ্লেন ফিলিপস, ড্যারিল মিচেলদের নিয়ে গড়া। তবে তাদের মিডল অর্ডার সেভাবে পরীক্ষিত নয়। বরং চাপের ম্যাচে ঢের বেশি পরীক্ষার মুখে পড়েছে প্রোটিয়াদের ব্যাটিং। ফলে অভিজ্ঞতায় তারা এগিয়ে।
শনিবার সকালে কলম্বোয় গ্রুপ ‘বি’র ম্যাচে মুখোমুখি আয়ারল্যান্ড এবং ওমান। দু’দলই খেলেছে দুটো করে ম্যাচ। কিন্তু কারও নামের পাশেই পয়েন্ট নেই। প্রতিযোগিতায় প্রথম জয়ের খোঁজে নামবে তারা।
আয়ারল্যান্ড : ওমান (সকাল ১১টা)
নিউজিল্যান্ড : দক্ষিণ আফ্রিকা (সন্ধ্যা ৭টা)
সম্প্রচার স্টার স্পোর্টস ও জিওহটস্টারে।