Bartaman Logo
১৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আরামবাগ পুরসভায় শংসাপত্র নেওয়ায় চালু হল নতুন নিয়ম

এখন আর নির্বাচিত বোর্ড নেই পুরসভায়। তাই স্থায়ী বাসিন্দা ও আয়ের সংসাপত্র সংগ্রহে নিয়মে বদল আনল প্রশাসক পরিচালিত পুরসভা।

আরামবাগ পুরসভায় শংসাপত্র নেওয়ায় চালু হল নতুন নিয়ম
  • ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: এখন আর নির্বাচিত বোর্ড নেই পুরসভায়। তাই স্থায়ী বাসিন্দা ও আয়ের সংসাপত্র সংগ্রহে নিয়মে বদল আনল প্রশাসক পরিচালিত পুরসভা। আরামবাগ পুরসভায় আয়ের শংসাপত্র নিতে হলে দিতে হবে মুচলেকা। এছাড়া স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র সংগ্রহ করতে হলে দরখাস্ত করে পুরসভাকে জানাতে হবে তার কারণ। কী কারণে স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র নিতে আবেদন করা হচ্ছে তার জন্য পুরসভাকে দরখাস্ত দিয়ে জানাতে হবে। তারসঙ্গে সচিত্র পরিচয় পত্র বাধ্যতামূলক। 

Advertisement

তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডে স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র সংগ্রহ করা যেত সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলারদের থেকে। এছাড়া পুরসভা কার্যালয়ে গিয়েও আধার কার্ড দেখিয়ে নেওয়া যেত। একইভাবে আয়ের শংসাপত্রও কাউন্সিলাররা দিতে পারতেন। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর আরামবাগ পুরসভায় কার্যত অনুপস্থিত থাকছিলেন চেয়ারম্যান সহ কাউন্সিলারদের একাংশ। তারফলে পুরসভার স্বাভাবিক কাজকর্ম থমকে যাচ্ছিল। তাই রাজ্যের তরফে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়। সম্প্রতি সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করেছে রাজ্য। এবার তাই শংসাপত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে চালু হয়েছে নতুন নিয়ম। 
এই ব্যাপারে আরামবাগ পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার বিমানকান্তি কর বলেন, শংসাপত্র দেওয়ার কাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আয়ের সংসাপত্র নেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য সত্য বলে মুচলেকা নেওয়া হচ্ছে। আগে কাউন্সিলাররা দিতেন। তাঁরা তাঁদের ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চিনতেন। কিন্তু এখন সেই সুবিধা না থাকায় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে। 
বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, আরামবাগ পুরসভা এখন প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে। সরকারি নিয়ম মেনে সেখানে শংসাপত্র দেওয়া হবে এটাই কাম্য। বিগত দিনে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা শংসাপত্র দিতে বাসিন্দাদের হয়রান করেছেন। 
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরসভা থেকে ১৮ বছরের কম বয়সিদের স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র নিতে হলে আবেদনকারীকে আধার কার্ড, আবেদন পত্রের সঙ্গে জন্ম শংসাপত্রও দিতে হবে। তবে অনেকেই বলছেন, কাউন্সিলাররা থাকায় বাসিন্দারা সেখান থেকেই সংসাপত্র সংগ্রহ করে নিতে পারতেন। বর্তমানে ভোগান্তির মধ্যেও পড়তে হচ্ছে। যদিও পুরসভার এক আধিকারিকের দাবি, নির্দিষ্ট নিয়মে আবেদন করলে দ্রুত শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে বাসিন্দাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কাউন্সিলার বলেন, আমরা আবেদনকারীদের চিনতাম বলে সহজেই সেইসব শংসাপত্র দিয়েছি। তবে আয়ের ব্যাপারে সন্দেহ হলে পুরসভায় কথা বলতাম।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ