চমকডাঙি ও লালটং বস্তিবাসী পাকা ঘর পাচ্ছেন, শুরু জমির জিও ট্র্যাকিং
  • ১১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: তিস্তার গ্রাসে নিশ্চিহ্ন লালটং ও চমকডাঙির ১৩২টি পরিবারকে প্রতিশ্রুতি মতো পাট্টা সহ জমি ও বাড়ি দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ডাবগ্রাম-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মাজিয়া এলাকায় এই ১৩২টি পরিবারের জন্য মোট ৭ একর খাস জমি চিহ্নিত করে বণ্টন করা হয়েছে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রত্যেকটি পরিবারকে এই জমিতে ঘর বানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান উপ প্রধান অবিরাম শৈব্য। 

Advertisement

বাড়ি তৈরির জন্য সোমবার থেকে শুরু হয়েছে জমির জিও ট্র্যাকিং। ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলি তাই খুশি। জমি পাওয়ায় গত ৭ মার্চ থেকে অনেকেই শেল্টার হাউস ছেড়ে অস্থায়ীভাবে ঘর বানিয়ে নতুন জমিতে বসবাস শুরু করেছেন। 
গত বছর বর্ষায় তিস্তার ভয়াল গ্রাসে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ডাবগ্রাম-১ পঞ্চায়েতের লালটং, চমকডাঙি গ্রাম ভেসে যায়। শিলিগুড়ি শহরের অদূরে মহানন্দা অভয়ারণ্যের ভিতরে এই দু’টি গ্রামে ১৩২টি পরিবার বসবাস করত। তিস্তার ছোবলে তারা খোলা আকাশের নিচে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। বাড়িঘর সব তছনছ হয়ে যায়। কিছু বাড়ি ঠিক থাকলেও সেখানে আর বসবাস করা নিরাপদ ছিল না। মাসের পর মাস বাসিন্দারা একটি স্কুলের শেল্টার হাউসে থেকেছেন। কেউবা আশ্রয় নিয়েছিলেন আত্মীয়ের বাড়ি। 
এই অঞ্চলে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সদস্য মণীষা রায় বলেন, এবারের বর্ষায় বিধ্বস্ত চমকডাঙি ও লালটং বস্তিবাসীর পাশে আমরা প্রথম থেকেই দাঁড়িয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায় শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেবকে নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করে যান। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আমরা। সেই মতো সরকারি উদ্যোগে তাঁদের পাট্টা সহ জমির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার সেই জমিতে তাঁদের পাকা বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হবে। 
এই ১৩২টি পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য জমি পেতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। প্রথমে তিনটি জায়গায় এঁদের জন্য জমি চিহ্নিত করা হয়। শিবনগর, ছোট ফাঁপড়ি ও রাজ ফাঁপড়িতে। তারপর এই মাজিয়াতে ৭ একর সরকারি জমি চূড়ান্ত করা হয়। 
 নিজস্ব চিত্র।