Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নিউ বারাকপুর হাসপাতালের পরিষেবা ঢেলে সাজল, উদ্বোধনে মন্ত্রী চন্দ্রিমা

এলাকাবাসীদের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার দাবিকে মান্যতা দিয়ে ঢেলে সাজা হল নিউ বারাকপুরের বি সি রায় সাধারণ হাসপাতাল ও মাতৃসদন। শনিবার ওই হাসপাতালে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা প্রকল্পের সূচনা করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

নিউ বারাকপুর হাসপাতালের পরিষেবা ঢেলে সাজল, উদ্বোধনে মন্ত্রী চন্দ্রিমা
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: এলাকাবাসীদের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার দাবিকে মান্যতা দিয়ে ঢেলে সাজা হল নিউ বারাকপুরের বি সি রায় সাধারণ হাসপাতাল ও মাতৃসদন। শনিবার ওই হাসপাতালে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা প্রকল্পের সূচনা করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, মহকুমা শাসক সৌরভ বারিক, নিউ বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা প্রমুখ। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, সংস্কারের পর ওই হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৮টি। আগে শুধু রাতে আপৎকালীন জরুরি পরিষেবা চালু ছিল। এবার থেকে ২৪ ঘণ্টা জরুরি পরিষেবা দেওয়া হবে। এখানে মোট তিনটি অপারেশন থিয়েটারের ব্যবস্থা হয়েছে। এছাড়া আইসিসিইউ, এইচডিইউ, এনআইসিইউ ইউনিট চালু হচ্ছে। আধুনিক ফেকো মেশিনের সাহায্যে সুলভে চক্ষু অপারেশন ছাড়াও ইকোকার্ডিওগ্রাফি, কালার ডপলার, ইউএসজির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা কেবিনের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এই হাসপাতালে নিউরোসার্জারি থেকে শুরু করে পেসমেকার প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থাও চালু হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন নিউ বারাকপুরের চেয়ারম্যান। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, হাসপাতালের আধুনিকীকরণের কাজে সাধারণ মানুষ যেভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তা অত্যন্ত সাধুবাদযোগ্য বিষয়। চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বলেন, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বিধায়ক তহবিল এবং পুরবাসীদের আর্থিক সহযোগিতায় হাসপাতালের আধুনিকীকরণের কাজ করা হচ্ছে। সেই অনুসারে পর্যাপ্ত সংখ্যায় চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মী নিযুক্ত করা হবে। 
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই হাসপাতালের আধুনিকীকরণ হওয়ায় কলকাতা কেন্দ্রিক বড় হাসপাতালে যাওয়া বা রেফার করার প্রবণতা কমে আসবে। এতে শুধু নিউ বারাকপুর নয়, পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারাও উপকৃত হবেন।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ