গুয়াদালুপে: মাঠে তিনিই নেদারল্যান্ডসের আক্রমণের প্রধান অস্ত্র! দলকে জেতাতে জান লড়িয়ে দেন। ইতিমধ্যেই দু’বার জাল কাঁপিয়েছেন। কাউকে বুঝতে দেননি, সাম্প্রতিক ব্যক্তিগত যন্ত্রণার কথা। আসলে সন্তানশোকে জর্জরিত কডি গাকপো। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর প্রেমিকা জানিয়েছেন, গর্ভাবস্থাতেই তাঁদের অজাত সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু এমন বিপর্যয়ের পরও হার মানেননি গাকপো। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই বিশ্বকাপে হাজির তারকা ফরোয়ার্ড। মঙ্গলবার রাউন্ড অব ৩২-এর লড়াইয়ে ডাচদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। কঠিন সময়ে পরিবারের মুখে হাসি ফেরাতে জিততে মরিয়া গাকপো।
চলতি বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্মে রয়েছে নেদারল্যান্ডস। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ১০ বার বল জড়িয়েছেন মেম্ফিস ডিপেরা। মরক্কোর বিরুদ্ধে সেই ছন্দ ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর রোনাল্ড কোম্যানের দল। তবে আচরাফ হাকিমিরাও ছেড়ে কথা বলবেন না। গত বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালিস্ট আফ্রিকার এই দেশটি। এবারও দুরন্ত ছন্দে মরক্কো। গ্রুপ সি’তে তাদের পয়েন্ট শীর্ষে থাকা ব্রাজিলের সমান ছিল। কিন্তু গোলপার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে থেকে পরের রাউন্ডের টিকিট পেয়েছে মোহামেদ ওয়াহবির দল। তবে পরিসংখ্যান ডাচদের সঙ্গে। এর আগে ১৯৯৪ বিশ্বাকপে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। ম্যাচটি ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল নেদারল্যান্ডস। আক্রমণভাগে ডাচদের প্রধান অস্ত্র অবশ্যই গাকপো। এছাড়া ব্রায়ান ব্রবে, ডনিল মালেনরা গোলের মধ্যে আছেন। তবে মরোক্কার যাবতীয় ভয় মাঝমাঠের ফ্র্যাঙ্কি ডে জংকে ঘিরে। বার্সার এই মিডিওকে ডানা মেলতে দিলে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবেন গাকপো, ব্রবিরা। রক্ষণভাগের স্তম্ভ অবশ্যই ভার্জিল ফন ডিক। পক্ষান্তরে, মরক্কো টিম গেমে বিশ্বাসী। আক্রমণভাগে সাইবারি, ব্রাহিমরা দুরন্ত ছন্দে। রাইট উইং ব্যাক হাকিমিও গোল করতে দক্ষ। সব মিলিয়ে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর হবে।