জেরুজালেম, ৩০ মার্চ: গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির কথা যখন এগোচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে হামাস জঙ্গিগোষ্ঠীকে কড়া বার্তা দিলেন ইজরায়েলর প্রধানমন্ত্রী। আজ, রবিবার তিনি জানিয়েছেন, ‘হামাসের নেতারা গাজা থেকে তখনই যেতে পারবে যখন তাঁরা অস্ত্র ত্যাগ করবে।’ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দাবি, ‘আমাদের সেনারা গাজায় হামাসের উপর চাপ বাড়াচ্ছে। তার সুফলও পাচ্ছি।’ ঠিক যখন গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির কথা এগোচ্ছে তখনই নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গতকাল, শনিবার হামাস প্রধান খলিল আল হায়া জানান, ‘দু’দিন আগেই মিশর এবং কাতারের কাছ থেকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পেয়েছি। এই প্রস্তাব আমরা গ্রহণও করছি।
আশা করি ইজরায়েলরও সম্মতি পাওয়া যাবে। ওদের অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।’ গাজায় অবিলম্বে দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতি চায় মিশর, কাতারের মতো দেশগুলি। তাই তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে চলেছে। এমনকী আমেরিকাও চাইছে গাজায় যুদ্ধবিরতি হোক। হামাস সেই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হয়ে শর্তও দিয়েছে। এই জঙ্গিগোষ্ঠীর দাবি, ৫০ দিনের যুদ্ধবিরতি লাগু করতে হবে, তার বিনিময়ে পাঁচজন ইজরায়েলি পণবন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, তেল আবিবও সেই প্রস্তাবে রাজি হয়েছে, তবে পাল্টা শর্ত তাঁরাও দিয়েছে। কিন্তু কী সেই শর্ত তা জানা যায়নি। এদিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে রটে যায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হয়নি ইজরায়েল। সেই খবর ভুয়ো বলেই আজ, রবিবার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
তিনি জানিয়েছেন, গোটা গাজা উপত্যকার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে ইজরায়েল, ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজও হবে। কিন্তু হামাসের নেতাদের অস্ত্র ত্যাগ করতে হবে। এখন কবে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লাগু হয় ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে। সেটাই দেখার অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব।