


কাঠমাণ্ডু: জেন জি বিক্ষোভের জেরে গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হয় নেপালের নির্বাচিত সরকার। বৃহস্পতিবার আবার সাধারণ নির্বাচন হল হিমালয়ের কোলের এই দেশে। সে দেশের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ। ভোট পড়েছে ৬০ শতাংশ। এই হার কিছুটা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনার জানকী কুমারী তুলাধর বলেন, বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। যাঁরা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তাঁদের ভোটগ্রহণের পর ব্যালট বক্স সংগ্রহ করা হবে। সেগুলি জড়ো করার কাজ শেষ হলেই গণনা শুরু করবে কমিশন।
ভোট পর্যবেক্ষকদের মতে, এবার নেপালে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। ২০২২ সালে তৈরি রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) কিছুটা হলেও এগিয়ে রয়েছে। প্রাক্তন র্যাপার বলেন্দ্র শাহ রয়েছেন এই দলের নেতৃত্বে। জেন জি বিক্ষোভের সময় তিনিই ছিলেন অন্যতম মুখ। সেই আন্দোলনের সুফল বলেন্দ্র এবং তাঁর দল পাবে বলে রাজনৈতিক মহলের মত। জেন জি বিক্ষোভের আগে নেপালের ক্ষমতায় ছিল নেপালি কংগ্রেস এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউএমএল)। এখন দুই দল যুযুধান দুই পক্ষ। নেপালি কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী গগন থাপা। অন্যদিকে কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (ইউএমএল) প্রধানমন্ত্রী পদে মুখ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলিই।
নেপালের সংবিধান অনুযায়ী, পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ২৭৫টি আসনের মধ্যে ১৬৫টিতে সরাসরি নির্বাচন হয়। বাকি ১১০টি আসনে আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে সদস্য নির্বাচন করা হয়। এবার ভোটার ছিল ১ কোটি ৮৯ লক্ষ। সরাসরি ভোটে ১৬৫ কেন্দ্রে প্রার্থী ৩ হাজার ৪০০ জন। আনুপাতিক ভোটের ১১০ কেন্দ্রে জন্য প্রার্থী ৩ হাজার ১৩৫ জন।