দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: ঘণ্টায় দেড় হাজার জেনারেল টিকিট ইস্যু করা হচ্ছিল। প্ল্যাটফর্মে এসে জানা গেল স্বতন্ত্র সেনানী এক্সপ্রেস ও ভুবনেশ্বর রাজধানী এক্সপ্রেস দেরিতে চলছে। ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে প্রয়াগরাজ এক্সপ্রেস। যাবতীয় ভিড় আছড়ে পড়ল তার উপর। এর জেরেই শনিবার রাতে নয়াদিল্লি স্টেশনে ফিরল মৌনী অমাবস্যায় কুম্ভমেলায় পদপিষ্টের সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি। হুড়োহুড়ির মধ্যে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ১৫ জনের। এর মধ্যে রয়েছেন ১০ মহিলা ও তিন শিশু। ঘটনায় শোকাহত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘নয়াদিল্লি রেলস্টেশনে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় আমি ব্যথিত। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের পাশে রয়েছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। পদপিষ্টে জখমদের সবরকম সহায়তা করা হচ্ছে।’ শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গাদকারি। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন দিল্লির ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী আতিশী। হাসপাতালে জখমদের সঙ্গে দেখাও করেন। ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রেলমন্ত্রক।
Advertisement
শনিবার তখন রাত ১০টা। পূর্ণকুম্ভে স্নানযাত্রার জন্য প্রয়াগরাজ এক্সপ্রেস ধরতে হাজির হন বহু পুণ্যার্থী। ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েছিল ট্রেনটি। কয়েক হাজার মানুষের ভিড়ে প্ল্যাটফর্ম এমনিতেই ভরে ছিল। অভিযোগ, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে এসক্যালেটর ও লিফ্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে ভিড় উপচে পড়ে ওভারব্রিজে। লাইন টপকে অন্য প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার সময় পড়ে জখম হন অনেকে।
কুম্ভমেলার ঘটনার মতোই এদিনও রেলের তরফ থেকে প্রথমে ঘটনাকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক্স হ্যান্ডলে জানান, ‘নয়াদিল্লি রেলস্টেশনের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। দিল্লি পুলিস এবং আরপিএফ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। অস্বাভাবিক ভিড় সামাল দিতে চারটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। এখন আর কোনও ভিড় নেই।’ ঘটনার পরেই রওনা হয় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। পাশাপাশি স্টেশনে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সদস্যরাও।
কুম্ভমেলার ঘটনার মতোই এদিনও রেলের তরফ থেকে প্রথমে ঘটনাকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক্স হ্যান্ডলে জানান, ‘নয়াদিল্লি রেলস্টেশনের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। দিল্লি পুলিস এবং আরপিএফ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। অস্বাভাবিক ভিড় সামাল দিতে চারটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। এখন আর কোনও ভিড় নেই।’ ঘটনার পরেই রওনা হয় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। পাশাপাশি স্টেশনে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সদস্যরাও।



