সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: বৃহস্পতিবার মাথাভাঙা শহরের নতুন সুটুঙ্গা সেতু পরিদর্শন করলেন পূর্তদপ্তরের আধিকারিকরা। একইসঙ্গে পাশেই থাকা যে কাঠের সেতুর খুঁটি এখনও রয়ে গিয়েছে, তা তুলে ফেলার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়। কয়েকদিন আগে মাথাভাঙা নদী বাঁচাও কমিটির তরফে পূর্তদপ্তরে এনিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, পুরনো কাঠের সেতুর খুঁটি থাকার কারণে সারাবছর আবর্জনা জমে থাকে সেখানে। যার ফলে হচ্ছে নদী দূষণ। এদিন পরিদর্শনে মাথাভাঙা মহকুমা পূর্তদপ্তরের বাস্তুকার সুবোধ কর্মকার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। পূর্তদপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এদিন পরিদর্শনের পর রিপোর্ট তৈরি করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হবে। তার পর নির্দেশ এলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Advertisement
মাথাভাঙা-শীতলকুচি সড়কের সুটুঙ্গা নদীর উপর দ্বিতীয় সেতুটি বিগত বাম আমলে তৈরি করা হয়। পাকা সেতুর আগে পাশে একটি কাঠের সেতু ছিল। পাকা সেতু চালু হওয়ার পর ওই কাঠের সেতুর খুঁটি এখনও তোলেনি পূর্তদপ্তর। সেই খুঁটিগুলিতেই সারাবছর জমে থাকে আবর্জনা। সেতুর পিলারের কাছে তৈরি হচ্ছে গর্ত। সেতুর ক্ষতি হওয়ার যেমন আশঙ্কা রয়েছে, তেমনি নদী দূষণও বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
এ ব্যাপারে নদী বাঁচাও কমিটির পক্ষে তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, অনেকবার আমরা পূর্তদপ্তর, সেচদপ্তর ও পুরপ্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু সেতু তৈরির এত বছর পরও কাঠের খুঁটি তুলে ফেলতে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কয়েকদিন আগে আবারও পূর্তদপ্তরকে বিষয়টি জানানোয়, আধিকারিকরা এসে দেখলেন। আমরা আশা করছি, সুটুঙ্গা নদীকে বাঁচাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে পূর্তদপ্তর।
মাথাভাঙা পূর্তদপ্তরের সহকারী বাস্তুকার সুবোধ কর্মকার বলেন, পুরনো সেতুর কাঠের পাইলিং নদীজুড়ে রয়েছে। সেখানে আবর্জনা জমে। নতুন সেতুর ক্ষতি তেমন হয়নি। আমরা আজ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখলাম। একটি রিপোর্ট তৈরি করে জেলায় পাঠানো হবে। সেখান থেকে নির্দেশ এলেই আমরা পদক্ষেপ নেব। নদীতে কিছু পলি জমে রয়েছে। কংক্রিটের কিছু অংশ রয়েছে। এগুলো তুলে ফেললে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। সেচদপ্তরের সঙ্গেও আমরা এনিয়ে কথা বলব।
এ ব্যাপারে নদী বাঁচাও কমিটির পক্ষে তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, অনেকবার আমরা পূর্তদপ্তর, সেচদপ্তর ও পুরপ্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু সেতু তৈরির এত বছর পরও কাঠের খুঁটি তুলে ফেলতে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কয়েকদিন আগে আবারও পূর্তদপ্তরকে বিষয়টি জানানোয়, আধিকারিকরা এসে দেখলেন। আমরা আশা করছি, সুটুঙ্গা নদীকে বাঁচাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে পূর্তদপ্তর।
মাথাভাঙা পূর্তদপ্তরের সহকারী বাস্তুকার সুবোধ কর্মকার বলেন, পুরনো সেতুর কাঠের পাইলিং নদীজুড়ে রয়েছে। সেখানে আবর্জনা জমে। নতুন সেতুর ক্ষতি তেমন হয়নি। আমরা আজ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখলাম। একটি রিপোর্ট তৈরি করে জেলায় পাঠানো হবে। সেখান থেকে নির্দেশ এলেই আমরা পদক্ষেপ নেব। নদীতে কিছু পলি জমে রয়েছে। কংক্রিটের কিছু অংশ রয়েছে। এগুলো তুলে ফেললে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। সেচদপ্তরের সঙ্গেও আমরা এনিয়ে কথা বলব।



