নয়াদিল্লি: ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইবুনাল ও তার আপিল সংক্রান্ত বিভাগ এনসিএলএটি’র স্বায়ত্তশাসন ‘হাইজ্যাক’ করে রেখেছে কেন্দ্রের কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক। বৃহস্পতিবার এই ভাষাতেই কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ বলেছে, ট্রাইবুনাল দুটির প্রেসিডেন্টদের হাতেই নিয়োগের সম্পূর্ণ ক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন থাকা দরকার। অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ হিসাবে ডেপুটেশনে নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে ইউপিএসসি ও এসএসসির মাধ্যমে নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
এনসিএলটি ও এনলিএলএটির চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের রাতারাতি ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কর্মীদের একাংশ। আদালতে আইনজীবী মীনাক্ষি অরোরা জানিয়েছেন, বেসরকারি সংস্থাকে চুক্তিভিত্তিক নিযোগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মাধ্যমে নিয়োগ করা হচ্ছে সংস্থার বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত সদস্যদেরও। মীনাক্ষির যুক্তি, বিচারবিভাগের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরও তাঁরা বেসরকারি কর্মী হয়ে যাচ্ছেন। এতে সংস্থার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে। প্রধান বিচারপতির মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ‘আমি জানি কীভাবে এই বেসরকারি সংস্থাগুলি কাজ করে। নিয়োগের ক্ষেত্রে এনসিএলটি ও এনসিএলএটির প্রেসিডেন্টদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকা উচিত। ট্রাইবুনাল সম্পূর্ণভাবে কুক্ষিগত করে রেখেছে কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রক।’



