নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে মোবাইল টাওয়ার প্রতারণা মামলায় পুলিসের তদন্তের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
Advertisement
মথুরাপুর থানা এলাকার বাসিন্দা কমল হালদারের দাবি, ২০২১ সালে একটি অজানা নম্বর থেকে ফোন করে তাঁর জমিতে মোবাইল টাওয়ার বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে তিনি রাজি ছিলেন না। কিন্তু একাধিকবার তাঁকে ফোন করে লাস্যময়ী কণ্ঠে একেক সময়ে একেকজন মহিলা তাঁকে ওই প্রস্তাব দেন। তাঁকে বলা হয়, জমিতে রিলায়েন্স জিও’র (ফাইভ জি) টাওয়ার বসানো হলে তিনি মাসে মোটা টাকা আয় করতে পারবেন। সেইসঙ্গে তাঁর পরিবারের দু’জনকে চাকরিও দেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত তিনি প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। কমলবাবুর দাবি, এরপর কখনও সিকিউরিটি হিসেবে আবার কখনও নো-অবজেকশন পাওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে দফায় দফায় প্রায় সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। এই ঘটনায় ২০২৩ সালে তিনি মথুরাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু পুলিস প্রতারকদের হদিশ করতে পারেনি। পাশাপাশি এক পয়সাও উদ্ধার করা যায়নি। এরপর বাধ্য হয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।
বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে পুলিসের পরিকাঠামোর অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, এই সব এলাকার থানাগুলিকে সব সময় আইনশৃঙ্খলা সামলাতেই হাবুডুবু খেতে হয়। প্রতারণার তদন্তের জন্য যে পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা নেই। দু’বছর কেটে গেলেও পুলিস কিছু করতে পারেনি। এরপর সিআইডির সাইবার ক্রাইম শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি ঘোষ।
বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে পুলিসের পরিকাঠামোর অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, এই সব এলাকার থানাগুলিকে সব সময় আইনশৃঙ্খলা সামলাতেই হাবুডুবু খেতে হয়। প্রতারণার তদন্তের জন্য যে পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা নেই। দু’বছর কেটে গেলেও পুলিস কিছু করতে পারেনি। এরপর সিআইডির সাইবার ক্রাইম শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি ঘোষ।



