নয়াদিল্লি, ১ ফেব্রুয়ারি: আয় বাড়ুক না বাড়ুক কিন্তু প্রতি মাসে ওষুধ কিনতে গিয়ে কালঘাম ছুটে যায় মধ্যবিত্তদের। বিশেষ করে ব্লাড প্রেসার, সুগারের রোগী রয়েছে দেশের প্রায় প্রতিটি ঘরেই। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল মোদি সরকার দাম বাড়িয়েই চলেছে প্রয়োজনীয় ওষুধের। হয়তো সেই অভিযোগই এবার শুনল মোদি সরকার। তাই আজ, শনিবার বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন ক্যান্সার সহ ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ কর ছাড় দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেছেন ৬টি জীবনদায়ী ওষুধে ৫ শতাংশ শুল্কও প্রত্যাহার করার কথাও। যার ফলে ক্যান্সার সহ জীবনদায়ী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বেশ কিছুটা কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কিছুটা স্বস্তি পাবেন মধ্যবিত্তরা। দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ ছিল জীবনদায়ী ওষুধের দাম কমানো হোক। এবারের বাজেটে সেই পথেই হেঁটেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহলের ধারণা আগামী সপ্তাহেই দিল্লিতে নির্বাচন। তাই মধ্যবিত্তদের মন জয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। বাজেট পেশের পরই দেখা গিয়েছে মেডিক্যালে ব্যবহৃত বেশ কিছু সরঞ্জামের দামও কমে গিয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিমায় জিএসটি মকুবের বিষয়ে কিছুই বলতে দেখা যায়নি অর্থমন্ত্রীকে। এদিন বাজেটে নির্মলা সীতারামন আরও জানিয়েছেন, ‘চিকিৎসা পর্যটনে’র উপর জোর দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। উন্নত যন্ত্রপাতি ও ওষুধের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে মজবুত করতে চাইছে মোদি সরকার। তাই পিপিপি মডেলের মাধ্যমে দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর কাজ করার কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ১০ হাজার আসন বৃদ্ধির প্রস্তাবও দিয়েছেন নির্মলা। এছাড়া দেশের প্রতি জেলায় ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।



