Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

 আয় বেড়েছে ১২ কোটি টাকা, তৈরি হচ্ছে স্থানীয় উন্নয়নের বাড়তি সুযোগ  ​​​​​​​

 আয় বেড়েছে ১২ কোটি টাকা, তৈরি হচ্ছে স্থানীয় উন্নয়নের বাড়তি সুযোগ
 ​​​​​​​
  • ৫ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হুগলি জেলা পরিষদের নিজস্ব আয় এক ধাক্কায় ১২ কোটি টাকা বেড়েছে। এই পরিসংখ্যান শুধু স্বস্তি নয়, উৎসাহ বাড়িয়েছে জেলা পরিষদের কর্তাদের। পাশাপাশি উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যার অর্থ, বাড়তি উন্নয়ন। সম্প্রতি হুগলি জেলা পরিষদের বাজেট বৈঠকে আয়বৃদ্ধির খতিয়ান উঠে এসেছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কারণ, গত দু’বছর ধরে বার্ষিক আয় বৃদ্ধির ধারা একই রকম আছে। যে পরিসংখ্যান চমকপ্রদ বলেই মনে করছেন পরিষদের কর্তারা।
Advertisement
এনিয়ে হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া বলেন, প্রায় পাঁচ বছর ধরে জেলা পরিষদের তরফে একটি ধারাবাহিক প্রয়াস করা হয়েছে। তার সুফল আজ আমরা পাচ্ছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আয়বৃদ্ধির হারকে আরও উন্নত করব। এনিয়ে জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় বলেন, গত বোর্ডের আমলেই জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল। মূলত, পরিষেবার মান উন্নত করা, পর্যটনের পরিধিকে প্রসারিত করা, উৎসব ভবন তৈরি করা, জলাভূমি ও বাজারের লিজ নবীকরণের মতো বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করা হয়েছে। যা আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। গত দু’বছর ধরে বছরে বাড়তি ১২ কোটি টাকা আয়ের সংস্থান হয়েছে। এই টাকা দিয়ে হুগলির গ্রামাঞ্চলে বাড়তি কাজ করা যাবে।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত স্তরে নিজস্ব সম্পদ বৃদ্ধির উপর জোর দিয়েছে। তারই সূত্র ধরে হুগলি জেলা পরিষদ নিজস্ব তহবিল বৃদ্ধির জন্য স্থায়ী পরিকল্পনা নেয়। জেলার সমস্ত পর্যটন কেন্দ্রকে ঢেলে সাজা হয়। নিউ দীঘা, গড় মান্দারণের মতো অতিথি নিবাসে পর্যটকদের জন্য বাড়তি সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তাতেই বেড়েছে আয়ের বহর। পাশাপাশি গত কয়েক বছরে জেলা পরিষদ ধারাবাহিকভাবে আধুনিক মানের উৎসব ভবন তৈরি করেছে। আয়বৃদ্ধির পিছনে সেগুলিরও অবদান আছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জলাভূমি ও বাজারগুলি নতুন করে লিজ দেওয়ার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। তা থেকেও আয় বে‌঩ড়েছে। জেলা পরিষদের এক কর্তা বলেন, রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকার মূলত পূর্ব নির্ধারিত প্রকল্পের জন্য পরিষদকে টাকা দেয়। যে কারণে সেই পরিকল্পনার বাইরে কোনও কাজ করা যায় না। পরিষদের নিজস্ব তহবিল থাকলে সেই টাকায় মানুষের বাড়তি চাহিদা পূরণ করা যায়। আয় বৃদ্ধির ফলে স্থানীয় উন্নয়নের কাজ আরও ত্বরান্বিত হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ