Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঘাটাল-মেচগ্রাম রাস্তার দু’পাশের নয়ানজুলি দখল, ক্ষোভ বাড়ছে

দখল হয়ে যাচ্ছে ঘাটাল-মেচগ্রাম রাস্তার দু’পাশের নয়ানজুলি। নিকাশির খালগুলি অবৈধভাবে ভরাট করে দোকান, শো-রুম, রেস্তরাঁ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে।

ঘাটাল-মেচগ্রাম রাস্তার দু’পাশের নয়ানজুলি দখল, ক্ষোভ বাড়ছে
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ঘাটাল: দখল হয়ে যাচ্ছে ঘাটাল-মেচগ্রাম রাস্তার দু’পাশের নয়ানজুলি। নিকাশির খালগুলি অবৈধভাবে ভরাট করে দোকান, শো-রুম, রেস্তরাঁ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে। ভরাটের কাজ দিনেদুপুরে সবার চোখের সামনে হলেও প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা কোনও প্রতিবাদ করছেন না বলে অভিযোগ। পূর্তদপ্তরের ঘাটাল মহকুমা হাইওয়ে ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শুভাশিস প্রামাণিক বলেন, অবৈধভাবে নয়ানজুলি ভরাট করা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement

ঘাটাল মহকুমার ব্যস্ততম রাস্তা ঘাটাল-মেচগ্রাম রোড। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি এই রাস্তায় যাতায়াত করে। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির দু’ধারের নয়ানজুলিগুলি এখন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। শোরুম, দোকান সহ নানা ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করার জন্য রাস্তার দু’দিকের নয়ানজুলিগুলি ভরাট করে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ, নয়ানজুলি ভরাটের সময় নিয়মমাফিক কোনও নিকাশি ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে না। কোথাও কোথাও নামমাত্র সরু পাইপ বসানো হলেও তা ভবিষ্যতের জলনিকাশের জন্য কার্যত পর্যাপ্ত নয়। ভবিষ্যতে তা পরিষ্কার করারও কোনও পথ নেই। তাছাড়া বিশেষত বর্ষার সময়ে এই রাস্তার উপর চাপ বাড়লে একদিকে যেমন যানবাহন চলাচলে সমস্যা তৈরি হবে, অন্যদিকে বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে থাকার আশঙ্কা প্রবল। 
স্থানীয় প্রশাসন এবং শাসক দলের একাংশের প্রশ্রয়েই এই অবৈধ কার্যকলাপ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী কিছু ব্যবসায়ী রাজনৈতিক সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে এই পরিবেশ-বিরোধী কাজ করে চলেছেন। অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। নিমতলা থেকে দাসপুরের মধ্যেই ওই ধরনের নির্মাণ কাজ বেশি চলছে। 
দাসপুর-২ অঞ্চল তৃণমূলের আহ্বায়ক সজল সরকার বলেন, কে কী তৈরি করছে, সেটা তো দলের পক্ষে সব সময় নজরে রাখা সম্ভব নয়। যে অবৈধ নির্মাণ করবে রাস্তা সম্প্রসারণ হলে তখন ভেঙে দেওয়া হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নয়ানজুলি ভরাটের ফলে শুধু পরিবেশগত ক্ষতিই হচ্ছে না, প্রাকৃতিকভাবে নিকাশির পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কৃষিজমি এবং জনবসতি এলাকায় জল জমে থাকার আশঙ্কা বাড়ছে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ