Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন: অবশেষে বকেয়ার একাংশ পেলেন রাজ্যের ৭৬ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী-চিকিৎসক

পুজোর মুখে হাসি ফুটল জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (এনএইচএম) আওতাভুক্ত ৭৬ হাজার কর্মীর। কমিউনিটি হেলথ অফিসার, আশা কর্মী, প্রথম ও দ্বিতীয় এএনএমদের পারফরম্যান্স লিঙ্কড ইনসেনটিভ (পিএলআই) বাবদ বকেয়ার একাংশ মেটানো শুরু হয়েছে।

জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন: অবশেষে বকেয়ার একাংশ পেলেন রাজ্যের ৭৬ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী-চিকিৎসক
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:০৮
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর মুখে হাসি ফুটল জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (এনএইচএম) আওতাভুক্ত ৭৬ হাজার কর্মীর। কমিউনিটি হেলথ অফিসার, আশা কর্মী, প্রথম ও দ্বিতীয় এএনএমদের পারফরম্যান্স লিঙ্কড ইনসেনটিভ (পিএলআই) বাবদ বকেয়ার একাংশ মেটানো শুরু হয়েছে। কেন্দ্র টাকা না দেওয়ায় রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের এনএইচএম শাখার এই কর্মী-চিকিৎসকদের বকেয়া মেটানোর দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। প্রসঙ্গত, বকেয়া ইনসেনটিভ বাবদ গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এই কর্মী-চিকিৎসকদের মোট ১৩০ কোটি টাকা প্রাপ্য। ১৩ মাস পিএলআই না পাওয়ায় আশা, সিএইচও সহ এনএইচএম কর্মীদের ১৩ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাতা বকেয়া ছিল। সেই বকেয়ার একটি ত্রৈমাসিকের (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর)  টাকা মেটাল রাজ্য। সব মিলিয়ে টাকার অঙ্কে যা ৩০ কোটি টাকার কিছু বেশি। স্বাস্থ্যদপ্তর এবং সিএইচও মহল সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। এই কর্মীদের রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবার কাণ্ডারী বললেও অত্যুক্তি হয় না। এঁরাই রাজ্যের ১০ হাজারের বেশি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র  পরিচালনা করেন। উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র—সর্বত্র মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুগার-প্রেশার মাপা, ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ দমনে বাড়ি বাড়ি অভিযান ইত্যাদি কাজগুলি তাঁদেরই করতে হয়। এছাড়া, অনলাইনে বড় হাসপাতালে ডাক্তার দেখানো বা স্বাস্থ্যইঙ্গিত সহ যাবতীয় কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ