Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিশ্বভারতী বিদ্যাভবনের শতবর্ষে ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা নিয়ে জাতীয় সম্মেলন

ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা ও তার বিকাশে বিশ্বভারতী বিদ্যা ভবনের ঐতিহাসিক অবদানকে তুলে ধরতে সোমবার থেকে শুরু হল দু’দিনের জাতীয় সম্মেলন।

বিশ্বভারতী বিদ্যাভবনের শতবর্ষে ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা নিয়ে জাতীয় সম্মেলন
  • ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা ও তার বিকাশে বিশ্বভারতী বিদ্যা ভবনের ঐতিহাসিক অবদানকে তুলে ধরতে সোমবার থেকে শুরু হল দু’দিনের জাতীয় সম্মেলন। একই সঙ্গে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদ্যাভবনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনও চলে। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ, বিদ্যাভবনের অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম সহ অন্য আধিকারিক, ছাত্র–ছাত্রী ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

বস্তুত, বিশ্বভারতীর মানববিদ্যা ও সমাজবিজ্ঞান চর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র বিদ্যাভবন। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ ১০০ বছর ধরে ভারতীয় দর্শন, সংস্কৃতি, সমাজচিন্তা ও জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে এই প্রতিষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনায় গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠান ভারতীয় জ্ঞান, নৈতিকতা, ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ ও প্রসারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যদিও পাঠ-ভবন প্রথমে বিশ্বভারতীতে পূর্ব বিভাগ নামে প্রাচ্য বিদ্যাচর্চার প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ১৯১৯ সালে উত্তর বিভাগ নামে উন্নত বিদ্যাচর্চার একটি পৃথক শাখা হয়। ১৯২৫ সালে উচ্চতর বিদ্যাচর্চা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর নামকরণ হয় বিদ্যা ভবন।

আলোচ্য সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থা এবং বিদ্যাভবনের অবদান। এতে ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থার বহুমাত্রিক দিক যেমন দর্শন ও ধর্মীয় চিন্তা, ভাষা ও সাহিত্য, সমাজবিজ্ঞান, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব, শিল্প ও স্থাপত্য, সংগীত, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য, নৈতিকতা, সংস্কৃতি এবং বিশ্বশান্তি প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনায় উঠে আসে। এমনকী, ভারতীয় জ্ঞানচর্চার সঙ্গে সমকালীন বিশ্বের সংযোগ ও প্রাসঙ্গিকতাও বিশ্লেষণ করা হয় বলে জানা যায়। এই সম্মেলনে প্রায় শতাধিক শিক্ষক,অধ্যাপক ও গবেষকরা অংশ নেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ