অতীতে বহুবার ভোট দিয়েও নাম বাদ এসআইআরের খসড়া লিস্টে
  • ২ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

হায়দরাবাদ: সুরক্ষা যোশীর চিৎকারে তখন কান পাতা দায়। চলতি এসআইআর পর্বে তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্যের নাম উঠেছে খসড়া ভোটার তালিকায়। বাদ গিয়েছে কেবল তাঁরটিই। শনিবার তেলেঙ্গানায় ভোটার অধিকার সুরক্ষা নিয়ে বেসরকারি সংগঠন তেলেঙ্গানা ভোটার রাইটস ফোরামের (টিভিআরএম) শিবিরে জন শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তাই ক্ষোভ উগরে দিলেন সুরক্ষা। তিনি জানান, পরিবারের ছয় সদস্য মিলে একসঙ্গে এসআইআরের ফর্ম জমা দিয়েছিলেন। সকলেরই নাম উঠল। কেবল তাঁরটাই বাদ গিয়েছে। এখন তাঁকে বলা হয়েছে, নতুন ভোটার হিসাবে নাম তোলার আবেদন করতে। ক্ষুব্ধ সুরক্ষার প্রশ্ন, ‘ওঁদের আগে বলুন আমার নামটি কেন বাদ গেল, তার ব্যাখ্যা দিতে। আবার আমাকে কেন নাম তোলার জন্য আবেদন করতে হবে? আমি আগের এপিক নাম্বার ব্যবহার করে ভোট দিতে চাই।’ 

Advertisement

সেকেন্দ্রাবাদ ক্যানটেনমেন্টে দু’টি জন শুনানি শিবিরের আয়োজন করেছে টিভিআরএম। সেখানে সুরক্ষার মতো অভিযোগ নিয়ে অনেকে হাজির হয়েছেন। অনেকেরই হাতে বিএলও-র কাছে জমা দেওয়া এসআইআরের ফর্মের কপি। এঁদেরই একজন ৭৮ বছরের ইয়াদাগিরি। দেশের স্বাধীনতার বছরেই তাঁর জন্ম। ইয়াদগিরি বলেন, ‘লালবাজারে আমার জন্ম। ২২ বছর ধরে এখানেই রয়েছি। ১৮ বছর বয়স থেকে ভোট দিচ্ছি। এখন কেন আবার নতুন ভোটার হিসাবে আবেদন করতে হবে? আমি অপমানিত বোধ করছি।’ প্রাক্তন সেনাকর্মী যোসেফের কথাই ধরা যাক। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে তিনি ভোট দিয়েছেন। আর এসআইআরের খসড়া তালিকাতে তাঁর ঠাঁই হয়েছে অনুপস্থিত/ ঠিকানা বদল/ মৃত / একাধিক নাম রয়েছে (এএসডিডি) এমন তালিকায়। তাঁকে অনুপস্থিত/ খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে দেগে দেওয়া হয়েছে। যোসেফের স্ত্রীর দাবি, কেউ তাঁদের ফর্মই দেয়নি। 
টিভিআরএম-এর পক্ষ থেকে সেকেন্দ্রাবাদ ক্যানটেনমেন্ট এলাকায় এএসডিডি তালিকায় থাকা ৭২১ জনের মধ্যে ১৭৪ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে ৪০ জনের ঠিকানা এক থাকার পরেও ‘স্থানান্তরিত’ জানিয়ে নাম বাদ গিয়েছে। টিভিআরএম-এর স্বেচ্ছাসেবকরা এঁদের ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে নাম তোলার পরামর্শ দিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন।