নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফুটবলের নামে গুন্ডামি! উত্তর ২৪ পরগনা জেলা লিগের ফাইনাল ঘিরে ধুন্ধুমার নৈহাটি। রবিবার বেলঘরিয়া অ্যাথলেটিক ক্লাবের মুখোমুখি হয় খড়দহ সূর্যসেন স্পোর্টিং। দ্বিতীয়ার্ধে লাল কার্ড ঘিরে বিতর্কের জেরে রেফারির উপর চড়াও হন সূর্যসেনের ফুটবলার ও কর্মকর্তারা। গুরুতর আহত রেফারিকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। এরপর মাঠ থেকেই তিনজনকে আটক করে পুলিস। ম্যাচে ৩-০ গোলে প্রতিপক্ষকে হারায় বেলঘরিয়া এসি।
এদিন ফাইনালে সূর্যসেনের ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো নিয়েই ঝামেলার সূত্রপাত। রেফারি চরণ হেমব্রমের উপর চড়াও হন ফুটবলার জিৎ নন্দী। এরপর প্রায় গোটা দল মারমুখী হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, মাঠে ঢুকে রেফারিকে বেদম পেটাতে থাকেন কর্তা, সমর্থকরা। দৌড়ে নিস্তার পাওয়ার চেষ্টা করেও সফল হননি রেফারি। টেনে-হিঁচড়ে মাটিতে ফেলে চলে বেদম প্রহার। খড়দহের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব সূর্যসেন স্পোর্টিং। কিন্তু তাদের আচরণে কলঙ্কিত হল জেলা ফুটবল। প্রশ্ন উঠছে, এরপর রেফারি মাঠে নামার সাহস দেখাবেন কার ভরসায়? উত্তর ২৪ পরগণা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব নবাব ভট্টাচার্য বললেন, ‘নিন্দার ভাষা নেই। দোষীরা কেউ ছাড়া পাবে না।’ সূর্যসেনের সচিব অঞ্জন দাশগুপ্তর মন্তব্য, ‘এমন ঘটনা কোনওমতেই বাঞ্ছনীয় ছিল না।’ অন্যদিকে, রেফারি সংস্থার সচিব চিত্তদাস মজুমদারের দাবি, এই ম্যাচ সম্পর্কে তাঁকে জানানোই হয়নি। তিনি বলেন, ‘রেফারি সংস্থা এবিষয়ে অন্ধকারে। তাই ঘটনার দায় জেলা কর্তাদের উপর বর্তায়।’