Bartaman Logo
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে ফিড দিতেই হবে, সব জেলাকে নির্দেশ নবান্নের, সমস্ত বিকল সিসি ক্যামেরা সারাতে উদ্যোগ

ট্রাফিকের কন্ট্রোল রুমে প্রতিটি জেলাকে ‘ফিড’ পাঠাতেই হবে। কী ঘটনা ঘটছে তা যাতে জানতে পারেন আধিকারিকরা।

ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে ফিড দিতেই  হবে, সব জেলাকে নির্দেশ নবান্নের, সমস্ত বিকল সিসি ক্যামেরা সারাতে উদ্যোগ
  • ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রাফিকের কন্ট্রোল রুমে প্রতিটি জেলাকে ‘ফিড’ পাঠাতেই হবে। কী ঘটনা ঘটছে তা যাতে জানতে পারেন আধিকারিকরা।  ক্যামেরা বন্ধ বা খারাপ থাকলে জেলার পুলিশ কর্তাদের তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। পুলিশ ডিরেক্টরেট বা নবান্ন থেকে এমনই নির্দেশ সমস্ত জেলায় গিয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি, এক্ষেত্রে তাঁদের করণীয় কী, এই সংক্রান্ত একটি গাইডলাইনও তৈরি হচ্ছে বলে খবর।

Advertisement

কয়েকদিন আগে সল্টলেকে আরক্ষা ভবনে ট্রাফিকের কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমস্ত জেলার সঙ্গে সংযোগ রয়েছে কন্ট্রোল রুমের। এখানে বসেই বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করতে পারবেন আধিকারিকরা। তাঁদের নজরে এসেছে বিভিন্ন জেলায় ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণের সমস্যা রয়েছে। জেলা ভেদে ক্যামেরা বসিয়েছে বিভিন্ন এজেন্সি। অনেক ক্ষেত্রে একই জেলার বিভিন্ন জায়গায় একাধিক এজেন্সি ক্যামেরা বসিয়ে গিয়েছে পূর্বতন জমানায়।  রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাও কোনো জেলায় এক নয়। গোটা বিষয়ে অভিন্ন নিয়ম পালন করা হয়নি। এই কারণে দায়িত্ব অর্পণ করার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। পুলিশকর্তাদের নজরে এসেছে, জেলার বিভিন্ন জায়গায় বেশকিছু ক্যামেরা দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ। এগুলি মেরামতের জন্য কোনো উদ্যেগই নেওয়া হয়নি। জেলার তরফে এগুলি মেরামতের জন্য টাকা চাওয়া হলেও মমতার সরকার কোনো গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ।  
অনেক ক্যামেরা আবার ওয়্যারেন্টি পিরিয়ডেই ‘দেহ’ রেখেছে। অথচ যে সংস্থা ক্যামেরা বসিয়েছে তাকে কেউ শোকজ পর্যন্ত করেনি। পালাবদলের পর নবান্ন বুঝতে পারছে, ক্যামেরা বসানোর ক্ষেত্রে বিরাট পরিমাণ ‘কাটমানি’র খেলা হয়েছে। প্রভাবশালী নেতার পছন্দ করে দেওয়া সংস্থাকেই বরাত দিতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছেন পুলিশকর্তারা। এই কারণে কন্ট্রোল রুমে যে পরিমাণে ফিড আসা দরকার তা আসছে না। তাই প্রতিটি জেলাকে বলা হয়েছে ক্যামেরা মেরামত করতেই হবে। প্রয়োজনীয় ফান্ড দেবে নবান্ন। প্রয়োজনে নতুন ক্যামেরা বসাতে হবে। যাতে ফুটেজ আসার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি না থাকে। যদি কোনো কারণে কোনো জেলা থেকে ফুটেজ না আসে তাহলে তার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। কেউ বিষয়টি এড়িয়ে গেলে বা কারও ক্ষেত্রে গাফিলতি ঘটলে সেক্ষেত্রে পদক্ষেপ করা হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। পাশাপাশি ক্যামেরা বসানো, রক্ষণাবেক্ষণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন নীতি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে কোনো ক্যামেরা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে বিগড়ে গেলে বা ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না-হলে ব্যবস্থাগ্রহণ সম্ভব হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ