নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সদ্য মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হয়েছে। তাতে উত্তীর্ণ হয়েছে বছর ১৬-র ইতিকা দাস। সেই কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সদ্য মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হয়েছে। তাতে উত্তীর্ণ হয়েছে বছর ১৬-র ইতিকা দাস। সেই কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল।
পরিবারের দাবি, কিশোরীর পরিকল্পনা ছিল প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার। সেই মতো ব্যাগপত্র গুছিয়ে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতিও সেরে রাখে। বাড়ি ছাড়ার আগে প্রেমিককে ফোন করে সে। কিন্তু পালিয়ে বিয়ে করতে সম্মত হয়নি প্রেমিক। সেই কারণেই আত্মঘাতী হয়েছে ইতিকা। ঘটনাটি স্বরূপনগর থানার ছোট বাঁকড়া গ্রামের। পুলিস মৃতার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিকা দাসের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল পড়শি গ্রামের এক যুবকের। কমবেশি পরিবারের লোকজন সেটি জানত। কিন্তু তাতে কিছুটা হলেও অসম্মত ছিল পরিবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রেমিক বেঁকে বসায় চরম সিদ্ধান্ত নেয় কিশোরী। পরিবারের লোকজনের অনুপস্থিতিতে রবিবার সন্ধ্যায় গলায় ফাঁস দেয়। পরিবারের লোকজন ফিরে এসে দেখেন, বাড়িতে দরজা বন্ধ থাকা অবস্থায় ভিতরে ঝুলছে সে। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে শেষরক্ষা হয়নি। ইতিকার বাবা নারায়ণ চন্দ্র দাস বলেন, একটি ছেলের সঙ্গে ওর সম্পর্ক ছিল। তার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ছেলেটি রাজি না হওয়ায় মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। ওকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। স্বরূপনগর থানার পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও অভিযোগ হয়নি। কিশোরীকে যে কোনও বিষয় নিয়ে বকা দিয়েছিল পরিবারের লোকজন। সেই কারণেই সে আত্মঘাতী হয়েছে বলেই প্রাথমিক ধারণা পুলিসের। তবে, কারও নামে এখনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।