শীতের শহরে সেদিন ভবানীপুরের খাঁচা বাড়িতে পা দিয়েই মনে হল এখনই কোনও বড়সড় সমাবেশের সমাপ্তি হয়েছে। উঠোন জুড়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। ভিড় ঠেলে ভেতরে এগতেই কৌতূহল আরও বাড়ল। দু’ধাপ সিঁড়ি। প্রশস্ত চাতাল। বিরাট বৈঠকখানা। দরজার পাশে দেওয়ালে লেখা আছে, ‘ত্রিলোকদর্শী বাবা/সকাল ৮টা থেকে সন্ধে ৬ টা/ বিঃ দ্রঃ প্রতি বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে।’ অথচ ঘরেতে ‘বাবা’ নেই। বদলে আছে ক্যামেরা, মনিটর, লাইটের স্ট্যান্ড, ট্রলি। ঘর থেকে বেরতে যেতেই হাসিমুখে পথ আগলে দাঁড়ালেন পরিচালক শমীক রায়চৌধুরী। ‘মায়া সত্য ভ্রম’-এর শ্যুটিংয়ে তখন ক্ষণিক অবসর।
Advertisement
ত্রিলোকদর্শী বাবার চেম্বারটি ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর উঠোন জুড়ে সমবেত জনতা বাবার ভক্তকুল। টালিগঞ্জ সিনে সংসারের একদল ‘এক্সট্রা’। শমীক বললেন, ‘দুটো সমান্তরাল গল্প নিয়ে তৈরি হচ্ছে ছবিটা। একটা গল্প ক্রাইম থ্রিলারের ঘরানায় এগবে। ছবির শেষে মোচড় আছে। দর্শকদের মাথা খাটাতে হবে।’ শট রেডি। ফ্লোরে প্রবেশ করলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার। মেকআপহীন আটপৌরে ‘লুক’-এর প্রিয়াঙ্কার চরিত্রের নাম ঊর্মিলা। পুত্রহারা উদ্বিগ্ন মায়ের ভূমিকায় তিনি। ছবিতে রয়েছেন অভিনেতা সোহম মজুমদার। পুলিসের পোশাকে শট দিচ্ছিলেন ভবানীপুরের রাস্তায়।
‘গল্পটা আমার খুব ভালো লেগেছে। শমীকের ‘বেলাইন’ দেখার পর একসঙ্গে কাজ করতে চেয়েছিলাম’, স্পষ্ট বললেন সোহম। আর প্রিয়াঙ্কা? তাঁর কথায়, ‘শমীক, সোহম আর চিত্রনাট্য— এই তিন কারণে এই চরিত্রটি করতে রাজি হলাম। একইসঙ্গে মা ও স্ত্রীর দ্বৈত সত্তার দ্বন্দ্বটাও বেশ আকর্ষণীয় লেগেছে আমার।’ সোহমের সংযোজন, ‘এটা নিছক থ্রিলার নয়, পাশাপাশি ছবির আধ্যাত্মিক প্রেক্ষাপটটা আমাদের ভাবাবে।’ প্রিয়াঙ্কার মতে, ‘উদ্দেশ্যহীন একশোটা ছবির চেয়ে এমন কয়েকটা সেরিব্রাল ছবি হোক। তাতে মোট ছবির সংখ্যা কমলেও ক্ষতি নেই। কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটি এখন বেশি দরকার।’ প্রিয়াঙ্কা এবং সোহম ছাড়াও পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবেশ রায়চৌধুরী, শুভ্রজিৎ দত্ত, শ্রেয়া ভট্টাচার্য, পিন্টু চট্টোপাধ্যায়, রানা বসু ঠাকুর প্রমুখের অভিনয়ে সমৃদ্ধ ছবিটি। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক নিজেই।
‘গল্পটা আমার খুব ভালো লেগেছে। শমীকের ‘বেলাইন’ দেখার পর একসঙ্গে কাজ করতে চেয়েছিলাম’, স্পষ্ট বললেন সোহম। আর প্রিয়াঙ্কা? তাঁর কথায়, ‘শমীক, সোহম আর চিত্রনাট্য— এই তিন কারণে এই চরিত্রটি করতে রাজি হলাম। একইসঙ্গে মা ও স্ত্রীর দ্বৈত সত্তার দ্বন্দ্বটাও বেশ আকর্ষণীয় লেগেছে আমার।’ সোহমের সংযোজন, ‘এটা নিছক থ্রিলার নয়, পাশাপাশি ছবির আধ্যাত্মিক প্রেক্ষাপটটা আমাদের ভাবাবে।’ প্রিয়াঙ্কার মতে, ‘উদ্দেশ্যহীন একশোটা ছবির চেয়ে এমন কয়েকটা সেরিব্রাল ছবি হোক। তাতে মোট ছবির সংখ্যা কমলেও ক্ষতি নেই। কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটি এখন বেশি দরকার।’ প্রিয়াঙ্কা এবং সোহম ছাড়াও পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবেশ রায়চৌধুরী, শুভ্রজিৎ দত্ত, শ্রেয়া ভট্টাচার্য, পিন্টু চট্টোপাধ্যায়, রানা বসু ঠাকুর প্রমুখের অভিনয়ে সমৃদ্ধ ছবিটি। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক নিজেই।
প্রিয়ব্রত দত্ত



