নিউইয়র্ক: বাজারে অভিষেকেই বাজিমাত! রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে পা রাখার পরই ইতিহাসের পাতায় নাম উঠল মার্কিন ধনকুবের এলন মাস্কের। বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসাবে তিনি মালিক হলেন এক লক্ষ কোটি ডলারের, ভারতীয় মুদ্রায় যা ৯৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।
নিউইয়র্ক: বাজারে অভিষেকেই বাজিমাত! রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে পা রাখার পরই ইতিহাসের পাতায় নাম উঠল মার্কিন ধনকুবের এলন মাস্কের। বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসাবে তিনি মালিক হলেন এক লক্ষ কোটি ডলারের, ভারতীয় মুদ্রায় যা ৯৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।
ফোর্বসের তথ্য বলছে, স্পেসএক্স অভিষেকেই শেয়ারবাজারে দরের নিরিখে মাস্কের সম্পদ শুক্রবার ১.২ ট্রিলিয়ন বা ১.২ লক্ষ কোটি ডলার ছুঁয়ে ফেলে। স্পেস এক্সের মাত্র ৪২ শতাংশের মালিক মাস্ক। এই ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা একটা সময় হাতে গোনা কয়েকটি দেশের জিডিপি (বা বিপুল ঋণের বোঝা) পরিমাপের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল। যদিও গত এক দশকে শেয়ারবাজারে নথিভূক্ত কয়েকটি কোম্পানির মূল্য এই গণ্ডি ছুঁয়েছে। কিন্তু কোনো একজনের এত বিপুল সম্পদ প্রকৃতপক্ষেই এতদিন কার্যত অবিশ্বাস্য ছিল। এমনিতেই বিশ্বের ধনীতমদের সম্পদ উল্কার গতিতে বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটেই মাস্কের মাথায় বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ শিরোপা ওঠায় বিতর্ক কম হচ্ছে না। এই ঘটনা সারা বিশ্বে আর্থিক বৈষম্যই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতের বার্ষিক মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) এখন ৪.১৫ লক্ষ কোটি ডলার। মাস্কের একার সম্পদই এর চারভাগের একভাগ। স্পেসএক্স কর্তার সম্পদের পরিমাণ ভারতের মিলিয়নেয়ারদের সম্মিলিত সম্পদের সমান। এই ট্রিলিয়ন ডলারের নোটগুলি যদি পরপর বিছিয়ে রাখা যায়, তাহলে সেটি হবে ১৫ কোটি ৬০ লক্ষ কিলোমিটার লম্বা। অর্থাৎ, পৃথিবী ও চাঁদের দূরত্বের প্রায় ৪০০ গুণ। বর্তমানে গোটা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৮২০ কোটি। এক ট্রিলিয়ন ডলার যদি তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়, তাহলে প্রত্যেকে পাবে ১২২ ডলার করে।