Bartaman Logo
২৯ জুলাই, ২০২৬
Advertisement
বর্তমান / ব্যবসা

ড্রামে কেনা যাবে না ট্রলারের তেল সরকারি নির্দেশে চিন্তায় মৎস্যজীবীরা

দীর্ঘ প্রায় দু’মাস সমুদ্রে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। ১৪ জুন নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হচ্ছে।

ড্রামে কেনা যাবে না ট্রলারের তেল সরকারি নির্দেশে চিন্তায় মৎস্যজীবীরা
  • ১৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: দীর্ঘ প্রায় দু’মাস সমুদ্রে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। ১৪ জুন নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এদিন গভীর রাত থেকে সব ট্রলার মাছ ধরতে সমুদ্রে পাড়ি দেবে। কিন্তু তার আগে পেট্রল পাম্প থেকে জানানো হল, ড্রামে করে আর তেল দেওয়া হবে না। ফলে মাথায় হাত ট্রলার মালিকদের। কারণ ট্রলার কোনো গাড়ির মতো নয়। এটি জলযান। ট্রলার মাটিতে তুলে নিয়ে এসে পাম্প পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তেল নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ফলে ড্রামে তেল ভরতেই হয়। এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় ট্রলার মালিকরা পড়েছেন গভীর সমস্যার মধ্যে। 

Advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কয়েক হাজার ট্রলার সমুদ্রে যেতে তৈরি। কিন্তু তার আগেই মাথায় হাত ট্রলার মালিকদের। প্রতিটি পেট্রল পাম্পে সরকারের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া, কোনো ড্রাম বা পাত্রে তেল দেওয়া যাবে না। এরপরই বেড়েছে সমস্যা। কারণ ট্রলারের জন্য প্রয়োজনীয় তেল পাম্প থেকে কিনে ড্রামে ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু এই নির্দেশিকা জারির পর কোনো পাম্প ড্রামে আর ডিজেল দিতে চাইছে না। সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য বেশ কিছু ট্রলার মালিক আগে থেকেই তেল কিনে রেখেছিল। কিন্তু যাঁরা আগে থেকে কেনেননি তাঁরা এখন সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। এছাড়া যাঁরা তেল কিনে রেখেছেন তাঁরাও ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়বেন। কারণ প্রথম দফায় সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ফিরে এলে তাঁদের ট্রলারেরও তেল শেষ হয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে আশঙ্কা মাছের ব্যবসা ধাক্কা খাবে। এখন মৎস্যজীবীরা দিশাহারা। কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ