Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভাগলপুরের লাচ্চা সিমুইয়ে ভরেছে মুর্শিদাবাদের ঈদের বাজার

ঈদের আগে মুর্শিদাবাদের লাচ্চা সিমুইয়ের বাজারের দখল নিয়েছে ভাগলপুর। ভাগলপুর থেকে পেটি পেটি লাচ্চা সিমুই মুর্শিদাবাদে ঢুকছে।

ভাগলপুরের লাচ্চা সিমুইয়ে ভরেছে মুর্শিদাবাদের ঈদের বাজার
  • ২৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: ঈদের আগে মুর্শিদাবাদের লাচ্চা সিমুইয়ের বাজারের দখল নিয়েছে ভাগলপুর। ভাগলপুর থেকে পেটি পেটি লাচ্চা সিমুই মুর্শিদাবাদে ঢুকছে। ঈদ যত এগিয়ে আসছে বিভিন্ন স্বাদের লাচ্চা সিমুইয়ের চাহিদাও তত বাড়ছে। বিভিন্ন রকমের সিমুই, লাচ্চা ৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে। ভাগলপুরে তৈরি এই খাবারের চাহিদা বাড়ায় খুশি বিক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি, ঈদে প্রত্যেক পরিবারের খাদ্য তালিকায় লাচ্চা, সিমুই থাকবেই। রকমারি এবং বিভিন্ন স্বাদে এগুলি তৈরি করা হয়। নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত সব মুসলিম পরিবারেই ঈদে থাকবে লাচ্চা সিমুইয়ের পদ। ফলের বিক্রিও বেড়েছে।

Advertisement

মুর্শিদাবাদে সেভাবে লাচ্চা, সিমুই তৈরি হয় না। কিছু পরিবার হাত মেশিনে নিজেদের ব্যবহারের জন্য সিমুই, লাচ্চা তৈরি করেন। তবে স্বাদে, গন্ধে তার মান খুব একটা ভালো হয় না। জেলার মানুষ তাই ভিন রাজ্যের দিকেই চেয়ে থাকেন। মুর্শিদাবাদে আরামবাগ সহ বেশ কয়েকটি জায়গার তৈরি লাচ্চা সিমুই আসে। তবে এবার ভাগলপুরের তৈরি ঘিয়ে ভাজা সিমুইয়ের চাহিদা সব থেকে বেশি। ঘিয়ে ভাজা সিমুইয়ের দাম ২০০ টাকা কেজি। লাচ্চা ১৫০ টাকা কেজি। সিমুইয়ের সর্বনিম্ন দাম ৭০-৮০ টাকা কেজি।
শুধু ঈদের দিন নয়। সারা রমজান মাসজুড়ে লাচ্চা সিমুই বিক্রি হয়েছে। তবে ঈদের দিন লাচ্চা সিমুইয়ের তিন চারটি পদ প্রতিটি বাড়িতে থাকবেই। আগামী সোমবার সম্ভাব্য ঈদ উৎসব পালিত হচ্ছে। ফলে শুক্রবার থেকেই লাচ্চা, সিমুই বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। বিক্রেতা বাবু শেখ বলেন, ভাগলপুরের লাচ্চা সিমুইয়ের চাহিদা এবার খুব বেশি। বেতের ঝুড়িতে প্যাকিং হয়ে আসে। দেদার বিকোচ্ছে। রাজা জৈন বলেন, একসময় ডাকবাংলা বাজারে লাচ্চা সিমুই বিক্রিতে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। এখন ব্যবসাদারের সংখ্যাও বেড়েছে। বিক্রিও বেড়েছে। নিমার বাসিন্দা রেজিনা বিবি বলেন, লাচ্চা সিমুইয়ের বিভিন্ন পদ হয়। দুধ, চিনি মিশিয়ে যেমন পায়েস হয়। এলাচ,  দারুচিনি, লবঙ্গ দিয়েও বানানো হয়। লাচ্চা সিমুইয়ের তিন চারটি পদ থাকে। স্বাদ এবং পুষ্টিগুণে লাচ্চা সিমুই এখন বহু হিন্দু পরিবারের হেঁশেলেও স্থায়ীভাবে জায়গা দখল করে নিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ