Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জলাশয় সংস্কারের পর মাছ চাষ করবে পুরসভা, জারি নির্দেশিকা

জলাশয় সংস্কারের পর মাছ চাষ  করবে পুরসভা, জারি নির্দেশিকা
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ কিংবা অনুরোধ পেয়ে যে সমস্ত পুকুর বা জলাশয় পুরসভা পরিষ্কার এবং সংস্কার করবে, সেগুলি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন হলেও তার ম্যানেজমেন্ট কন্ট্রোল হাতে নেবে কলকাতা পুরসভা। তারপর জলাশয়টিকে অক্ষত রাখতে সেখানে মাছচাষ করা হবে। সেই মাছ বিক্রির অর্থ থেকেই সংশ্লিষ্ট পুকুরের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ চালানো হবে। সম্প্রতি, ফিসারিজ অ্যাক্ট অনুসরণে এমন একটি নির্দেশিকা জারি করেছে পুর কর্তৃপক্ষ। ফলে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন পুকুর বারবার পুরসভার অর্থ খরচ করে যে সাফাই করতে হয়, সেই ঝঞ্ঝাট থাকবে না। 

Advertisement

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন ওয়ার্ডে পুকুর বা জলাশয় ভরাট হওয়ার অভিযোগ পেলে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। সেটি সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি, বিভিন্ন সময় যেসব ব্যক্তিগত মালিকানাধীন পুকুর পুরসভা সাফাই করেছে, সেগুলিরও ‘ম্যানেজমেন্ট কন্ট্রোল’ (পরিচালন ক্ষমতা) হাতে নিয়ে পিসিকালচার বা মাছচাষের ব্যবস্থা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বরোর এগজিকিউটিভ অফিসারকে এই বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ বিভাগের এক পুরকর্তা বলেন, অনেক সময় অনুরোধের ভিত্তিতে বহু পুকুর পুরসভাকে সাফাই বা সংস্কার করতে হয়। আবার কয়েক মাস যাওয়ার পর সেখানে ময়লা পড়ে কিংবা কচুরিপানায় ভরে সেই পুকুর নোংরা হয়ে যায়। তখন আবার সাফাইয়ের অনুরোধ আসে। কিন্তু এভাবে কোনও ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জলাশয় নিয়মিত সাফাই করতে পারে না পুরসভা। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, বর্তমানে সাফাই করার পর খরচের অর্থ সংশ্লিষ্ট জলাশয়ের মালিকের কাছে ডিমান্ড পাঠিয়ে নেওয়া হয় কিংবা তাঁর সম্পত্তি করের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু এভাবে বারবার সাফাই করা সম্ভব নয়। তাই নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে, ব্যক্তিগত মালিকানাধীন পুকুর সাফাই করার পর আইন মোতাবেক সেই জলাশয়ের ম্যানেজমেন্ট কন্ট্রোল পুরসভা নিজের হাতে নিয়ে সেখানে মাছ চাষ করবে। বরোভিত্তিক অফিসাররা বিষয়টি দেখভাল করবেন। সাফাই খরচ হয় মালিকের থেকে নেওয়া হবে, তা না হলে মাছ চাষ করে যে টাকা মিলছে, সেই টাকায় পুকুরের রক্ষণাবেক্ষণ হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ