নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: পালাবদলের পর এবার বহরমপুরে যুব তৃণমূল নেতার বাগানবাড়িতে বুলডোজার চলল। শনিবার সকালে তৃণমূল যুবর বহরমপুর শহরের সভাপতি পাপাই ঘোষের বিলাসবহুল বাগানবাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পুরসভা। অভিযোগ, বেআইনিভাবে জমি দখল করে এই বাগানবাড়ি গড়ে তোলা হয়েছিল। ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় তিনি পলাতক। এদিকে, শনিবারই পাপাই ঘোষের স্ত্রী সুষমা ঘোষ মণীন্দ্রনগর পঞ্চায়েতের প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন।
তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর ঘনিষ্ঠ ছিলেন পাপাই। নাড়ুবাবু চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেওয়ার পর পুরসভার তরফেই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। পুরসভা সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিটি ফাঁকা পড়ে ছিল। ওই জমির একটি অংশে আগে শিশু উদ্যান ছিল। পরে নকল নথির মাধ্যমে সেখানে নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে উধাও পাপাই ঘোষ। সম্প্রতি অস্ত্র আইন সহ একাধিক মামলায় তাঁর নাম জড়ানোর পর থেকে তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না। শনিবার বহরমপুর পুরসভার তত্ত্বাবধানে বিতর্কিত নির্মাণটি বুলডোজ়ার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। ওই তৃণমূল নেতার পরিবারের দাবি, জমিটি বৈধভাবে কেনা হয়েছিল। তাদের কাছে সমস্ত নথিপত্র রয়েছে।
শনিবারই বহরমপুর বিডিও অফিসে এসে পদত্যাগপত্র জমা দেন সুষমা ঘোষ। এর আগে বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আইজুদ্দিন মণ্ডলও ইস্তফা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বহরমপুর ব্লকের দৌলতাবাদ ও ভাকুড়ি-১ পঞ্চায়েতের প্রধানরাও পদত্যাগ করেছেন। সুষমাদেবী এদিন বলেন, অসুস্থতার কারণে ইস্তফা দিয়েছি। -নিজস্ব চিত্র