Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শহর-শহরতলির খাল, পাম্পিং স্টেশনের কাজ খতিয়ে দেখলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বর্ষার জল নিষ্কাশনে বজবজের খাল ও পাম্পিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। জল জমার সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ। বিস্তারিত পড়ুন।

শহর-শহরতলির খাল, পাম্পিং স্টেশনের কাজ খতিয়ে দেখলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা
  • ৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও সংবাদদাতা, বজবজ: কলকাতা ও দক্ষিণ পশ্চিম শহরতলির বর্ষার জমা জল বের করতে কী কী করা যায়, খতিয়ে দেখতে ময়দানে নামলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মঙ্গলবার পুরমন্ত্রী কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে, পুরসভার নিকাশি বিভাগের ডিজি শান্তনুকুমার ঘোষ ও সেচদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বজবজের চড়িয়াল খাল এবং পুজালি পুরসভার লকগেট খাল পরিদর্শন করলেন। পাশাপাশি, হৃষীকেশ পার্ক, নর্দান পার্কে কলকাতা পুরসভার নিকাশি পাম্পিং স্টেশনের কাজও ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। যান দইঘাট, বিবি ওয়ান ক্যানাল ও চৌবাগা পাম্পিং স্টেশনেও। আগামী বর্ষায় কীভাবে জমা জলের মোকাবিলা করা যাবে, তা নিয়েও আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। 

Advertisement

আমহার্স্ট স্ট্রিটের হৃষীকেশ পার্কের সামনে নিকাশির কাজে খোঁড়াখুঁড়ির জেরে রাস্তার অবস্থা বেহাল। সেগুলি এক সপ্তাহের মধ্যে চলার যোগ্য করতে বলেছেন মন্ত্রী। চৌবাগা পাম্পিং স্টেশনের মান উন্নয়নের কাজে বরাদ্দের জন্য মন্ত্রীর কাছে তদ্বির করেছেন পুরসভার অফিসাররা। পাশাপাশি, দইঘাটে ব্যারাজ ও পাম্পিং স্টেশন বানানোর পরিকল্পনা কথাও জানানো হয় পুরমন্ত্রীকে। অন্যদিকে, কোন কোন এলাকার জল চড়িয়াল খাল ও পুজালির লকগেট খাল দিয়ে বের হয় তা জানতে চান পুরমন্ত্রী। আধিকারিকরা তাঁকে জানান, মূল খাল হল চড়িয়াল খাল। তবে মহিষগোটের কাছে এসে চড়িয়াল দু’টি ভাগে ভাগ হয়েছে। মূলত বেহালা, ঠাকুরপুকুর, ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লক, বজবজ গ্রামীণ এলাকা মহেশতলার পুরসভা ও পুজালির জল এই দু’টি খাল দিয়ে গঙ্গায় যাচ্ছে। গত পুজোর আগে থেকে পুজালি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভিতর দিয়ে যাওয়া পুজালি লকগেট খালের সঙ্গে গঙ্গার সংযোগের মুখে কয়েক কোটি টাকা খরচে কংক্রিটের স্লুইস গেট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এজন্য মহিষগোট, বজবজ গ্রামীণ এলাকার জল বেরনোর মুখ মাটির বাঁধ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। এবার এই বাঁধ থাকলে জল জমে ভিতরের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুর এলাকা ভেসে যাবে। বিজেপির এক নেতা জয়দেব দত্ত মন্ত্রীর কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেন। মন্ত্রী তা শোনার পর বিষয়টি জানতে চান সেচদপ্তরের আধিকারিকদের কাছে। শুধু তাই নয়, পুজালি লকগেটের এই কাজের গতি ধীর কেন তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কোথাও বসতি এলাকা প্লাবিত হোক এটা আমাদের সরকার চায় না। তাই সেই সমাধান করতে হবে। সেচদপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, পাম্প বসিয়ে ভিতরের জল গঙ্গায় ফেললে তা জমবে না। মন্ত্রী বলেন, তা হলে এ জন্য যে কটা পাম্প লাগতে পারে, তা বসানোর ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি পুরমন্ত্রী এদিন বজবজের চড়িয়াল খালের লকগেট ঘুরে দেখেন। সেখানে লকগেটের ভিতর দ্রুত সাফ করার জন্য নির্দেশ দেন।   দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিভিন্ন ক্যানেল ও লগ গেট ঘুরে দেখলে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল । নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ